আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন ৩ নভেম্বর। এই নির্বাচনে কী কী পরিবর্তন হতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে জোরালো আলোচনা। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল কি পরবর্তী কংগ্রেস ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে পারবে? ডেমোক্রেটিক দল যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, ট্রাম্প কি তা মেনে নেবেন? নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রে কী কী পরিবর্তন আসতে পারে?
গত দুই বছর ধরে ট্রাম্পের যত বাগাড়ম্বর, তার প্রায় সবই রিপাবলিকান কংগ্রেস ও সিনেটের রাবার স্ট্যাম্পের সৌজন্যে। ট্রাম্প যা করেছেন, তারা চোখ বুজে তাকে সমর্থন দিয়েছে। রিপাবলিকান দলে কার এত সাহস যে ট্রাম্পের বিরোধিতা করবেন? ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে নিয়ে ইরান যুদ্ধে গিয়েছেন, খামখেয়ালিভাবে বিভিন্ন দেশে শুল্ক বসিয়েছেন, কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছেন—ইত্যাদি ইত্যাদি সবই রিপাবলিকান দলের কংগ্রেস সদস্যরা মেনে নিয়েছেন।
ইরান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অনেক বেড়ে গেছে। জ্বালানি তেলের দাম গ্যালন প্রতি ২ ডলার থেকে লাফিয়ে ৫ ডলারে উঠেছে। সাধারণ মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, জীবনযাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। এবারকার নির্বাচনে বড় একটা ফ্যাক্টর হলো সাশ্রয়ী জীবনযাত্রা বা ‘অ্যাফোর্ডেবিলিটি’। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিটা অঙ্গরাজ্যে লড়ছে এই ‘অ্যাফোর্ডেবিলিটি’ ইস্যুতে। রিপাবলিকানরা কোনো সদুত্তর দিতে পারছে না। সাধারণ মানুষ ট্রাম্পের ওপর দারুণভাবে বিরক্ত; সর্বশেষ জনমত জরিপে ট্রাম্পের সমর্থন এখন ৩৩ শতাংশ। এই অবস্থায় বিভিন্ন রাজ্যে রিপাবলিকান দলের প্রার্থীরা দারুণ প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করছেন।
নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না—তা সত্য; তবে এবারকার নির্বাচনে সর্বত্রই ট্রাম্পের ছায়া। ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় সহায়ক ট্রাম্প; তারা প্রতিটা রিপাবলিকান প্রার্থীকে ‘ট্রাম্পের চামচা’ বলে নির্বাচনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। রিপাবলিকান প্রার্থীরা ট্রাম্পের বিরোধিতাও করতে পারছেন না; কারণ যারা তার বিরোধিতা করবেন, তাদের থেকে টাকাকড়ি ও দলীয় সমর্থন উঠিয়ে নেওয়া হতে পারে।
লাল রাজ্যগুলোতে নীলের ঢেউ
যুক্তরাষ্ট্রে কতগুলো অঙ্গরাজ্য সবসময় ভোটে রিপাবলিকানদের সমর্থন করে, যাদেরকে বলা হয় ‘লাল রাজ্য’; কিছু আছে ‘নীল’—চিরাচরিত ডেমোক্র্যাট সমর্থক। আর কিছু রাজ্য আছে ‘বেগুনি’, যেখানে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এবং তারাই সাধারণত দল দুটির জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে। এবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে যে নীলের জোয়ার লালের বেষ্টনী ভেদ করে ঢুকে পড়ছে। যেসব অঙ্গরাজ্যে কোনোদিন রিপাবলিকানদের প্রচারণা করতে হয়নি, এখন সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকছে। কানসাস অঙ্গরাজ্যে যেখানে গত ১০০ বছরে কোনো সিনেটর ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত হননি, সেখানে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটন এ বছর বেশ আশাবাদী এবং দারুণভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি যখন ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, ৭৮ বছর বয়সী একজন লোক তাকে তেল কেনার রসিদটা দেখিয়ে বললেন, “এ জন্যই তোমাকে আমি ভোট দেব।”
রিপাবলিকান দলের একজন রাজনৈতিক কৌশলবিদ একটি সতর্কবার্তা দিলেন—“পরিস্থিতি ঠিক ততটাই খারাপ, যতটা সবাই কানাঘুষা করছে। আমরা এমন সব জায়গায় ডেমোক্র্যাটদের জয়ী হতে দেখতে যাচ্ছি, যা কখনো তাদের দখলে আসবে বলে আমরা ভাবতেই পারিনি। এরপরই শুরু হবে হিসাব-নিকাশের পালা।” ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ মহলে এখন নতুন এক আতঙ্ক কাজ করছে: নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কেবল কংগ্রেস বা সিনেটের নিয়ন্ত্রণই হারাবে না, বরং একটি নীল জোয়ার ধেয়ে আসছে, যা তাদের এমন সব শক্তিশালী ঘাঁটিকেও ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
এতদিন মূল মনোযোগ ছিল প্রধান নির্বাচনি লড়াইয়ের রাজ্যগুলোর ওপর; যেমন—মেইন, ওকলাহোমা ও মিশিগান। টেক্সাস ও নর্থ ক্যারোলিনাতেও জনমতে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে আছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে এমন কিছু রাজ্যের নাম উঠে আসছে, যা অপ্রত্যাশিত; যেমন—আলাস্কা, কানসাস, মিসিসিপি ও ফ্লোরিডা।
তবে এটাও ঠিক, নির্বাচনি পূর্বাভাস আগেও অনেক সময় ফলাফলে ডেমোক্র্যাটদের প্রতারিত করেছে; বড় উদাহরণ—২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের পরাজয়।
ডেমোক্রেটিক প্রগতিশীলরা দারুণ উজ্জীবিত
নিউ ইয়র্ক শহরে জোহরান মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ডেমোক্র্যাট প্রগতিশীলরা নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় দারুণভাবে উৎসাহিত হয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে অভাবিত সাফল্যও পেয়েছেন। এই প্রগতিশীলরা অনেকভাবেই এখন পরিচিত—কেউ বলেন সমাজতন্ত্রী, কারো কাছে বামপন্থি, আবার ট্রাম্প বলেন, এরা সব কমিউনিস্ট। মোটা দাগে এদেরকে বলা যায়—যুদ্ধবিরোধী, সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সমর্থক এবং অভিবাসন দমন করতে গিয়ে সরকার বিভিন্ন শহরে যে অতিরিক্ত পুলিশি শক্তি প্রয়োগ করছে তার বিরোধী। সবকিছুতেই এরা কট্টর ট্রাম্পবিরোধী।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রগতিশীলরা যেহেতু তাদের ট্রাম্পবিরোধী নীতিগুলো খুব স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে পেরেছে, তাই তারা এবার দারুণভাবে জনগণের সমর্থন পাচ্ছে। নির্বাচনি অনেক আসনেই প্রগতিশীলরা তাদের রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে এগিয়ে আছেন।
প্রথম মুসলমান সিনেটরের অপেক্ষায়
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট প্রাইমারিতে আবদুল আল-সাইয়েদের জয় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি একজন মুসলিম অভিবাসী পরিবারের সন্তান। তিনি প্রতিষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক রাজনীতির প্রায় সব প্রচলিত ধারা থেকে আলাদা অবস্থান নিয়েছেন। গাজায় ইসরায়েলি অভিযানকে তিনি সরাসরি গণহত্যা বলেছেন এবং দৃঢ়ভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
আবদুল আল-সাইয়েদ এখন পর্যন্ত প্রতিটা জনমত জরিপে তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে দুই থেকে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।
তবে তার নির্বাচন খুব সহজ হবে না। ইহুদি ভোটাররা তার প্রতি দারুণ নাখোশ; কারণ তিনি কট্টর ইসরায়েলবিরোধী। কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদেরও অনেকেই তাকে সমর্থন দিতে দ্বিধাগ্রস্ত; কারণ গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের গাজা নীতির প্রতিবাদে আল-সাইয়েদ কৃষ্ণাঙ্গ প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করেননি। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে রিপাবলিকানরা নানা বিরূপ প্রচারণা ছড়াচ্ছে—মুসলিম ব্রাদারহুড সদস্য, সন্ত্রাসবাদী এবং কমিউনিস্ট ইত্যাদি। এইসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব প্রবল। নভেম্বরে যদি তিনি সিনেটর নির্বাচিত হতে পারেন, তাহলে আবদুল আল-সাইয়েদই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলমান সিনেটর।
আরেকজন মুসলমান রাজনীতিবিদ আয়শা ওয়াহাব—তিনি এক আফগান শরণার্থী দম্পতির মেয়ে, যিনি ছোটকালে মা-বাবা হারিয়ে এক ফস্টার কেয়ারে (সরকারি তত্ত্বাবধানে পালিত হওয়ার ব্যবস্থা) বড় হয়েছেন। আজ তিনি যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের একজন সম্মানিত সদস্য।
সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার এক ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য পদত্যাগ করায় যে আসনটি খালি হয়, সেখানে বিশেষ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আয়শা ওয়াহাব কংগ্রেসের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার জয় সহজ ছিল না। তাকে পরাজিত করার জন্য ইসরায়েলি লবি আইপ্যাক চার মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। নভেম্বরেও তাকে নতুনভাবে নির্বাচন করতে হচ্ছে এবং জনমত জরিপে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ২০ শতাংশ এগিয়ে।
এবারকার নির্বাচনে ইসরায়েলপন্থি প্রার্থীদের জন্য খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ ইসরায়েলের দিক থেকে হঠাৎ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আইপ্যাকের বিপুল আর্থিক সমর্থন সত্ত্বেও ইসরায়েলপন্থি প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারে দারুণ বৈরিতার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ডেমোক্রেটিকরা জিতলে কী পরিবর্তন আসতে পারে?
মধ্যবর্তী নির্বাচনে এমনিতেই প্রেসিডেন্টের দল আসন হারায়, সেটাই মার্কিন ঐতিহ্য। কিন্তু গোহারা হারলে ট্রাম্পের জন্য বড় সমস্যা হবে। বেশিরভাগ রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের নিজের মনোনীত, তাদের হার ট্রাম্পেরই হার হবে এবং রিপাবলিকান দলেও ট্রাম্পের গরিমা ধূলিসাৎ হবে। তাতে ক্রমান্বয়ে রিপাবলিকান সিনেট ও কংগ্রেস সদস্যরাও প্রকাশ্যে ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করতে সাহস পাবেন।
তাছাড়া ট্রাম্প সরকারের সব পরিকল্পনা বাধার সম্মুখীন পড়বে। ইরান যুদ্ধের টাকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্র যত অস্ত্র ও আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে, তা কংগ্রেসের অনুমোদন না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
এখন থেকেই অনেক ডেমোক্র্যাট ট্রাম্পকে অভিশংসন (ইমপিচ) করার কথা বলছেন। ডেমোক্র্যাটরা বড় ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ইমপিচমেন্টের সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ডেমোক্র্যাটরা জিতলে কি ট্রাম্প তা মেনে নেবেন?
একটি নতুন জনমত জরিপ থেকে দেখা যায় যে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকলেও, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সেই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে গভীর সংশয় রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট/এবিসি নিউজ/ইপসোস’-এর জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প ফলাফল মেনে নেবেন বলে তারা “খুবই নিশ্চিত” বা “কিছুটা নিশ্চিত”। অন্যদিকে, ৭০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন যে, ট্রাম্প ফলাফল মেনে নেবেন না।
বিভিন্ন সময়ে ট্রাম্প নিজেই বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীদের হারিয়ে ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে তিনি সেই ফলাফল মেনে নেবেন না। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণার পুরো সময় জুড়ে ট্রাম্প আমেরিকান নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে ভিত্তিহীন সন্দেহ ছড়িয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের সর্বশেষ খবরে বলা হয়েছে যে—“ট্রাম্প প্রশাসন আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি আটকে দেওয়ার জন্য একটি ফেডারেল আদালতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যদি রিপাবলিকান প্রার্থী অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। এটি একটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক পদক্ষেপ, যা নির্বাচনের ফলাফলে হস্তক্ষেপ করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়।” ওই আসনে রিপাবলিকান প্রার্থীর শেষ নাম সুলিভান এবং একই নামে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ট্রাম্প মনে করেন এতে ভোটাররা বিভ্রান্ত হতে পারেন। কী আজব যুক্তি!
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্প আজ পর্যন্ত মেনে নেননি। সেই সময় নির্বাচনের পর তিনি আরও দুই মাস ক্ষমতায় ছিলেন। তার সমর্থকদের দিয়ে কংগ্রেস ভবনে আক্রমণ করিয়ে তিনি কী যে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, তা এখনো অনেকের স্মরণে আছে।
এবার মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তিনি আরও দুই বছর ক্ষমতায় থাকবেন। ডেমোক্র্যাটরা জিতলে কী যে হবে, কিছুই নিশ্চিত নয়! তিনি কি ২০২০ সালের মতো তার অনুসারী কংগ্রেস স্পিকার মাইক জনসনকে আদেশ দেবেন যে—নতুন নির্বাচিত সদস্যদেরকে যেন প্রত্যয়িত না করা হয় বা শপথ না পড়ানো হয়! মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে আবার কি দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধবে? যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য এই এক নতুন পরীক্ষা।
তবে নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন এবং এর পর যাই ঘটুক না কেন—এটা নিশ্চিত যে এবারকার এই মধ্যবর্তী নির্বাচন অনেক নতুন খবরের জন্ম দেবে।
সালেহ উদ্দিন আহমদ: লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ই-মেইল: salehpublic711@gmail.com
