বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার সাজেকে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হামলায় শতাধিক আদিবাসী আহত হয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)-র সশস্ত্র সদস্যদের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে এই হামলা হয়। শুক্রবার এশিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস এক প্রেস বিবৃতিতে এই দাবি করেছে। অভিযোগ, যাতে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে না পারে, সে জন্য সেনা হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নিতে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি এবং সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে বৌদ্ধরা পথ অবরোধ করে পিসিজেএসএসের অপসারণের দাবি তুলেছেন। বৃহস্পতিবার অবরোধ শুরু হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের উপরে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।
সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পিসিজেএসএস ১৯৭২ সালে গঠিত একটি বিদ্রোহী সংগঠন। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে কোনও নির্বাচন ছাড়াই এই সংগঠনের নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ক্ষমতায় বহাল রাখা হয়েছে। এশিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটসের গবেষণা বিভাগের প্রধান তেজাং চাকমা বলেন, “কোনও দেশেই একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের মতো আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থার প্রধান হিসেবে বহাল রাখা উচিত নয়।”
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
