মাথাব্যথা সবার একটি সাধারণ সমস্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মাথাব্যথা আপনাআপনি সেরে যায়। অনেকেই এটিকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। সাধারণত মাথাব্যথা কোন গুরুতর রোগের লক্ষণও নয়। মাথাব্যথা সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ, কাজের প্রেসার কিংবা বেশি সময় স্ক্রিন টাইম মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। মাথাব্যথা হলে সাধারণ কয়েকটি কাজ করলেই মিলবে মুক্তি। চলুন জেনে নিই কী করবেন মাথাব্যথা হলে–
- বেশি করে পানি পান করুন;
- ঠান্ডা-জ্বর বা ফ্লু জাতীয় সমস্যা যেমন সর্দি-কাশি থাকলে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম করুন;
- দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। যে কোন ধরণের মানসিক চাপ মাথাব্যথার তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে;
- যখন সম্ভব ব্যায়াম করুন;
- প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ চাইলে নিতে পারেন। অবশ্যই আপনার বয়স অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে সেবন করবেন।
মাথাব্যথা হলে যেসব কাজ করবেন না
- কোনো বেলার খাবার বাদ দিবেন না (খাওয়ার রুচি না হলেও খেয়ে নিতে হবে);
- স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘুমাবেন না। এতে করে মাথাব্যথা বেড়ে যেতে পারে;
- চোখ দুটোকে বেশি খাটাবেন না। যেমন যেকোনো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন যেমন টেলিভিশন, মোবাইল, কম্পিউটার ইত্যাদির দিকে লম্বা সময় ধরে তাকিয়ে থাকা;
- মদ পান করবেন না।
কখন ডাক্তারের সহায়তা নিবেন?
- ঘনঘন মাথাব্যথা হলে;
- ব্যথানাশক ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল খেলেও মাথাব্যথা না কমলে। ক্রমশ খারাপ হতে থাকলে;
- মাথার সামনের দিকে কিংবা এক পাশে বাজে টনটনে ব্যথা অনুভব করলে। এই ব্যথাটি মাইগ্রেন হতে পারে অথবা অল্প কিছু ক্ষেত্রে ক্লাসটার হেডেক (এক ধরণের মাথাব্যথা) হতে পারে;
- মাথাব্যথার সঙ্গে বমিভাব লাগলে, বমি হলে এবং আলো বা আওয়াজ যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠলে।