সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা
জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার বন্ধন যেকোনো মূল্যে অটুট রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের…
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬
জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার বন্ধন যেকোনো মূল্যে অটুট রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের সামাজিক সৌহার্দ্য বিনষ্ট করতে অতীতেও নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং বর্তমানেও সুযোগসন্ধানীরা সক্রিয় রয়েছে। এই ধরনের অপচেষ্টা সফল হতে না দিতে দলমত নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি খুলনার পাইকগাছা উপজেলা মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলার সর্বমোট ১৫১টি শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে সরকারি বরাদ্দের ডিও লেটার আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়। সরকারের এই আর্থিক সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি মন্দিরকে ৭ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এই অনুদান প্রদানের মূল লক্ষ্য হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবটি যেন শান্তিপূর্ণ ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হতে পারে।
সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও উদারভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ৪৭টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জি এম জাকারিয়া, যার মাধ্যমে স্থানীয় পূজা উদ্যাপন কমিটির সাথে প্রশাসনের সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন।
