ব্যাংকিং সেক্টরে প্রথম পে-স্কেলের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিকেবির আনন্দ উৎসব
নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষনা দেয়ায় এবং ব্যাংকিং সেক্টরে প্রথম প্রদানের নির্দেশ দেয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন। এ উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সামনে আনন্দ সমাবেশ ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন সিবিএ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ফোরাম, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার কল্যান সমিতি ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ওমেন্স ফোরামের বিপুল সংখ্যাক কর্মকর্তা কর্মচারীর উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ জাহিদ হোসেন, এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন সিবিএ সাধারন সম্পাদক মোঃ মিরাজ হোসেন, অফিসার কল্যাণ সমিতির আহবায়ক কৃষিবিদ সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, সদস্য সচিব নূরে আলম শাওন, ওমেন্স ফোরামের সভানেত্রী তাসলিমা আক্তার লীনা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ। আনন্দ সমাবেশ শেষে সকলের অংশগ্রহনে একটি র্্যালী মতিঝিলের বক চত্তর হয়ে প্রধান কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

বিএমইউ ও বিআইডব্লিউটিসি'র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নীতিগত অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে একাডেমিক ও পেশাগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিআইডব্লিউটিসি'র সম্মেলন কক্ষে এ স্বাক্ষরতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিএমইউর প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন কমডোর মো. বেনজির মাহমুদ (ই), এনপিপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। এ সময় বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান এ. টি. এম. আবদুল বারী ড্যানী এবং সংস্থাটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ সহযোগিতা বিএমইউ'র শিক্ষার্থী ও বিআইডব্লিউটিসি উভয়ের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পপুলার লাইফের ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক বিতরণ
দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধের চলমান বিশেষ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বীমা গ্রাহকদের মধ্যে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেছে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোম্পানিটির সার্ভিস সেলে এ উপলক্ষে চেক বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট বি এম ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী এবং সিনিয়র উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) সৈয়দ মোতাহার হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার, এসইডি মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদ মাহমুদ কিশোর ও মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ। এ সময় কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সমন্বয়কারী মো. কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। চেক বিতরণের মাধ্যমে জেলার বীমা গ্রাহকদের পাওনা দাবি পরিশোধ করা হয়। বীমা দাবির অর্থ দ্রুত গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের এ বিশেষ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শাক-সবজিতে স্বস্তি, ডিম-মুরগি-মাংসের দর ঊর্ধ্বমুখী
দীর্ঘদিন ধরে অস্বস্তিতে থাকা শাক-সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও বাজারের প্রায় সব সবজির দাম তিন অঙ্কের ঘরে ছিল, যা স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ছিল বেশ কষ্টসাধ্য। এখন তা নেমে ৪০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বাজারের অধিকাংশ টাটকা সবজি। শাক- সবজি বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে শীতের শাক-সবজি ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, পেঁপে, লাউ, শিম, বেগুন, কাঁচামরিচ ও চিচিঙ্গার দাম কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ২০ টাকা। প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ২০-৩০ টাকা, গোল ও লম্বা বেগুন ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, মুখীকচু ৬০ টাকা, লতিকচু ৫০ টাকা, লাল আলু ৫০ টাকা। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, শিম ১৩০-১৪০ টাকা ও কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি। প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা ও বাঁধাকপি কেজিপ্রতি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শীতের আবহে ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে মৌসুমী শাকের উৎপাদন। সরবরাহ বাড়ায় বাজারে প্রতি আঁটি শাকের দর ৫-১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ২০ টাকা আঁটি ও ডাঁটা ৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ধনেপাতা ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা পূর্বে ২৫০-৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো। মাছ হাতিরপুল বাজারের কয়েকজন মাছ বিক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় মাছ বিক্রি করতে পারছি না। মাছ বাজারের দাম কিছুটা আগের মতোই, তবে আগের থেকে বিভিন্ন মাছে ওজনভেদে ১০-২০ টাকা কমে বিক্রি করতে হচ্ছে। শীত বাড়লে দাম আরেকটু কমবে বলে আশা করছি। এক চিংড়ি বিক্রেতা জানান, মাঝারি চিংড়ি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করছি, যা পূর্বে ৯০০ টাকা করে বিক্রি করতাম। বড় সাইজের চিংড়ি এখনও ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আমদানি বেশি থাকায় দাম একটু কমেছে। মুদি কর্নার সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকা। উনত্রিশ (চিকন) চাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, আটাশ ৫০ টাকা ও জিরা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং পোলাও (খোলা) চাল ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুদি বিক্রেতা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহে কোনো সংকট দেখছি না, মাসখানেক হলো লিটারে ৫ টাকা করে দাম বাড়িয়েছে। গুঞ্জন শুনছি আবারও লিটারে ১৩ টাকা করে বাড়াবে। মুরগি ও মাংস মুরগি বিক্রেতা 'চিকেন হাউস' বলেন, পোল্ট্রি মুরগি ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করছি, যা সপ্তাহখানেক আগে ১৯০ টাকায় বিক্রি করতাম। সোনালি (পাকিস্তানি) মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি এবং লেয়ার মুরগি ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি করছি, যা পূর্বে ৩৬০-৩৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতাম। বাজারে দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েকটি মাংসের দোকান ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা। প্রতিটি দোকানের সামনে বাজারদর ঝুলানো রয়েছে। বিসমিল্লাহ মাংস বিতানের বিক্রেতা বলেন, আমরা দেশি গরু কাটি, ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাসখানেক ধরেই আমরা এমন দামে বিক্রি করি। বাজারে হঠাৎ কোনো ওঠানামা নেই। আমাদের কাস্টমারের সাথে দর নিয়ে কোনো ঝামেলা হয় না। আমরা চার্ট টানিয়ে বিক্রি করি। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা। দাম বাড়ার পেছনের কারণ জানতে চাইলে বলেন, আমাদের কেজিতে ১০-২০ টাকা লাভ হয়। সপ্তাহখানেক আগেও আমরা ১২৫০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি, আমাদের কেনায় একটু বেশি পড়ায় আমরা একটু বেশিতে বিক্রি করছি। শীত শেষে দাম আরও বাড়বে বলে জানান তিনি। হাতিরপুল কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা খোকন মিয়া বলেন, বাজারে শীতের সবজি আসতে শুরু করায় সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েকটি সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা কমেছে এবং কয়েকটি সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। শীত বাড়ার সাথে সাথে দাম আরও কমবে বলে ধারণা করছি। শাক বিক্রেতা সাব্বির আহমেদ বলেন, বাজারে নতুন শাকসবজি আসতে শুরু করায় ইতিমধ্যে আঁটিপ্রতি দাম ১০-১৫ টাকা করে কমেছে। আর কয়েক সপ্তাহ গেলে দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। ক্রেতারা আগের তুলনায় শাক বেশি করে কিনছে। বাজার করতে আসা নুরুল হক বলেন, কাঁচাবাজারে একটু স্বস্তি ফিরেছে, তবে এখনও মাছ ও মুরগির দাম বাড়তি। পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছি।

‘১৯ অক্টোবর দেশের সব জুয়েলারি দোকান বন্ধ থাকবে’
আগামী ১৯ অক্টোবর (সোমবার) সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারদীয় দুর্গোৎসবের অষ্টমী পূজা উপলক্ষ্যে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ১৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাজুস। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংগঠনটি।

