

মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন আজ দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে ১শ ১৩ জন দুস্থ্য অসহায় মানুষে মাঝে সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ খাত হতে ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৫শ টাকার চেক বিতরণ করলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (কর্মকর্তা) এইচ.এম. সালাউদ্দীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাভেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, আমরা নিরেপক্ষ চোখে দলমত নির্বিশেষে সকলকে অনুদান দিচ্ছি। আপনাদের চাহিদার তুলনায় সামান্যটুকু দিতে পারছি এবং তা নিয়ে আপনাদের সন্তুষ্ট থাকার অনুরোধ করছি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী মোঃ জাহিদুল ইসলাম।
উত্তরবঙ্গে কৃষি ভিত্তিক আঞ্চলিক হাব সৃষ্টির লক্ষে নাটোরে টাউন হল সভা
উত্তরবঙ্গে কৃষি ভিত্তিক আঞ্চলিক হাব সৃষ্টির লক্ষে উদ্যেক্তা ও অংশিজনের অংশগ্রহনে নাটোরে টাউন হল সভা করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে শহরের একটি রেস্তোঁরায় এ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সভায় প্রাইম ব্যাংকের রাজশাহী আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার, নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জান্নাত আরা ফেরদৌস, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক নাজিম উদ্দিন, পূবালী ব্যাংকের মহাপরিচালক চৌধুরি আব্দুল ওয়াহীদসহ বিভিন্ন ব্যাংকের নাটোর শাখার কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও অংশিজনরা। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক উত্তরবঙ্গে কৃষি ভিত্তিক আঞ্চলিক হাব সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে। যাদেরকে এখাতে ঋণ দেয়া হবে তারা যেন সঠিক ব্যবহার করেন। এটার জন্য প্রয়োজন প্রচার প্রচারনা। এ ঋণ পেতে কোন ঝামেলা নাই। যে কোন উদ্যোক্তা এ ঋণ গ্রহন করতে পারবেন। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল হালিম বলেন, সারা দেশে ১০ হাজার কোটি টাকা পূনঃ ঋণ ঘোষনা করা হয়েছে। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গে ৩ হাজার কোটি টাকা পূনঃ অর্থায়ন করা হবে। এ অর্থ কৃষি কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, কৃষি পন্য সংরক্ষন, পরিবহন, বাজারজাত করন, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরনকারী ব্যবসায়ী ও উদ্যেক্তারা পাবেন। এ ঋণ প্রদান করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সারা দেশের মোট ৩৯টি ব্যাংক চুক্তিবদ্ব হয়েছে। শতকরা ৭ শতাংশ লভ্যাংশ নিয়ে কোন জামানত ছাড়াই এক্ষেত্রে তারা ৫ লাখ টাকা ঋণ দিবেন। সভা শেষে ঋণ গ্রহিতাদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।

দখল ও ভাঙনে বিপর্যস্ত ভৈরব নদ, হুমকিতে শিল্পনগরী
যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদের বিভিন্ন স্থানে দখল ও ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। নদীর জায়গায় কৃত্রিম চর তৈরি করে ঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের ফলে নদের স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি নদীতীরের ভাঙনে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে নওয়াপাড়ার ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উপজেলার রাজঘাট থেকে বসুন্দিয়া ইউনিয়নের আফ্রা ঘাট পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নওয়াপাড়া নদীবন্দর বিস্তৃত। নৌ, সড়ক ও রেল যোগাযোগের সুবিধার কারণে এ অঞ্চল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে সার, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য ও কয়লাসহ বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা গড়ে উঠেছে। নদীর নাব্যতা কমে গেলে পণ্য পরিবহন ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর বিভিন্ন স্থানে মাটি ও বালু ফেলে কৃত্রিম চর তৈরি করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও বাঁশ, কাঠ ও টিন দিয়ে নদীর অংশবিশেষ ঘিরে ভরাটের চেষ্টা চলছে। এতে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া ও কোনো কোনো স্থানে গতিপথ পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তবে দখলের পরিমাণ এবং ভাঙনের সঙ্গে এসব কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরিপ প্রয়োজন। নওয়াপাড়া নদীবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এখানে নয়টি সরকারি জেটি রয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ১০০টি ঘাট রয়েছে বলে জানা গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে গাইডওয়াল, স্থায়ী জেটি ও কাস্টমস ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছিল। নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট ও খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল হোসেন বলেন, নওয়াপাড়ায় প্রায় ৪০০ ব্যবসায়ী রয়েছেন। নদীর নাব্যতা রক্ষা করা না গেলে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইতিমধ্যে গম ও চালের সরবরাহ কমেছে এবং কয়লা আসাও আগের তুলনায় কমে গেছে বলে তিনি জানান। নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখলের অভিযোগ তদন্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ভৈরব নদ রক্ষা করা গেলে নওয়াপাড়ার ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন ও স্থানীয় মানুষের জীবিকা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নওয়াপাড়া নদীবন্দরের উপপরিচালক মাসুদ পারভেজ জানান, কৃত্রিম চর তৈরি করে নদী দখলের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের তালিকা করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আদালতের হস্তক্ষেপে মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলেন সেই ছেলে!
মাকে নিজের সঙ্গে রেখে ভরণপোষণ করতে রাজি না হওয়া পাবনার সাঁথিয়ার সেই গ্রামপুলিশ ছেলে অবশেষে মায়ের দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আদালতের হস্তক্ষেপে মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ভুল স্বীকার করে মা ও দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পাবনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাঁথিয়া থানার আমলি আদালতে মা ও ছেলের বক্তব্য শোনার পর তাদের মধ্যকার বিরোধের সমাধান করা হয়। অভিযুক্ত ছেলে সাগর হোসেন সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের একজন গ্রামপুলিশ। এর আগে মাকে নিজের সঙ্গে রেখে ভরণপোষণ করতে তার অনীহার বিষয়টি নিয়ে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে যাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত ৮ অক্টোবর ওই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে এলে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে উদ্যোগ নেন। রোববার বিকেলে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমানকে অভিযুক্ত ছেলে ও তার মাকে নিয়ে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। পরে ওসি নিজের গাড়িতে করে তাদের আদালতে নিয়ে হাজির হন। আদালত মা ও ছেলের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের মধ্যকার সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেন। পরে সাগর হোসেন তার মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে সম্মত হন। এ সময় নিজের ভুল বুঝতে পেরে মায়ের সঙ্গে এমন আচরণের জন্য অনুতপ্ত হন সাগর। ভবিষ্যতে মায়ের সঙ্গে আর কখনো এমন আচরণ করবেন না বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে নিজের মা ও দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চান। সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, বৃদ্ধা মা ও ছেলেকে একসঙ্গে বাড়িতে দিয়ে আসা হয়েছে। এরপরও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও কথা বলা হচ্ছে।

ভালুকায় অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা, মালিকের ৪ দিনের কারাদণ্ড
ময়মনসিংহের ভালুকায় জনসেবা হোমিও হলের আড়ালে অনুমোদনহীনভাবে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার দায়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী রেহেনা বেগমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও চার দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সিডস্টোর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসাইন। অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. সামছুল ইসলাম রমিজ উপস্থিত ছিলেন।

ইলমদীর স্মৃতিময় সিঁড়ি ব্রিজ দুই ইউনিয়নবাসির মেল বন্ধন
ইলমদী স্মৃতিময় সিঁড়ি ব্রিজ। দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে আছে কালের স্বাক্ষী এবং আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী এবং উচিৎপুরা এ দুটি ইউনিয়নবাসির যোগাযোগের মাধ্যম। ব্রিজটি এ দুটি ইউনিয়নের সীমানা এলাকায় ছাগলবাঘিনি নদীর উপর তৈরী। দূর দূরান্ত থেকে আগত ভ্রমণ পিয়াসী ও ইউটিউবারদের কন্টেন্ট তৈরীর একটি পছন্দের স্থান। ব্রিজটির এক প্রান্তে উচিৎপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে যেটির পদবী ইউপি চেয়ারম্যান) ডাঃ আজিজ মোল্লার গ্রাম পশ্চিম আতাদী এবং হাইজাদী ইউনিয়নের ইলমদী গ্রামের প্রাণ পুরুষ প্রয়াত কবি বেনজীর আহাম্মেদ এর গ্রামকে জোড়া লাগিয়েছে। ইলমদী গ্রামের যে ঘাটে ব্রিজটির পশ্চিম মাথা অবস্থিত সেটি জামান সাহেবের ঘাট হিসেবেও এলাকায় বিশেষ ভাবে পরিচিত। ব্রিজটির পশ্চিম পাশে ব্রিটিশ আমলে তৈরী এলাকার প্রথম পাকা মসজিদটি রয়েছে। রয়েছে ঐতিহাসিক জামান সাহেবের বাড়ী ও ইলমদীর ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক হাট। বর্তমার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি ও এখানে অবস্থিত। অপরদিকে পূর্ব প্রান্তে রয়েছে উচিৎপুরা ইউনিয়নের পশ্চিম আতাদী, পূর্ব আতাদী, সীতারামকান্দি, টেগুরিয়াপাড়া, ভৈরবদী এ সমস্ত গ্রাম গুলো এবং নবপ্রতিষ্ঠিত আতাদী বাজার, আতাদী উচ্চ বিদ্যালয় ও নব নির্মিত উচিৎপুরা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দুই ইউনিয়নের এত গুলো গ্রামের সাধারণ মানুষের জমি জিরত রয়েছে ব্রিজ ও নদীর দু পাশে। মূলত এ দুটি ইউনিয়নের দু পাশের কাছাকাছি অবস্থিত গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষের নদী পারাপার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজকরণ করার লক্ষ্যেই ১৯৯০ পরবর্তী সময়ে বএিনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান অঙ্গুরের আমলে তার বড় ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ক্ষুদ্র ও কূটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক এ এম বদরুজ্জামান খান খসরু এ ব্রিজটি নির্মাণ করেন। ব্রিজটির নির্মাণ পদ্ধতি ও আকৃতি দেখে তখন থেকেই এটিকে একটি ব্যাতিক্রমি ব্রিজ বলে এলাকাবাসি জেনে আসছে। ব্রিজটি অন্যান্য ব্রিজ থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় এর নিচ দিয়ে অনায়াসে বড় বড় নৌকা যাতায়াত করতে পারতো। নদীতে এখনো নৌকা চলে তবে তা আগের তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অনেকটা উন্নতি হওয়ায় দূর দুরান্ত থেকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবার এবং দর্শণার্থীরা ব্রিজটির সৌন্দর্য তুলে ধরতে প্রায় সময় এখানে আসছেন। ইলমদী গ্রামের বাসিন্দা মো. বাবুল মিয়া এবং পশ্চিম আতাদী গ্রামের সুমন মোল্লা জানান, দেখতে ব্যাতিক্রম ব্রিজটি দুটি ইউনিয়নবাসির মধ্যে যোগাযোগের এক নতুন মাত্র যোগ করেছে। ব্রিজটি নিয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরেরা অনেক রকম কন্টেন্ট তৈরী করছেন।


