Published on
:
1 min read
এক মহিলাকে খুন করে তাঁর দেহ রুম হিটার দিয়ে পোড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। বিয়ের জন্য চাপ দিতেই ওই মহিলাকে খুন করেন তাঁর প্রেমিক বলেও অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের জলগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন মহিলা। বাড়িতে স্বামী ছাড়াও আছে ১১ এবং ১৩ বছরের দুই মেয়েও। এর পরেও প্রেমিকের সঙ্গেই সংসার করতে চেয়েছিলেন বছর ৩৮-এর ওই মহিলা। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দিচ্ছিলেন তিনি। বিয়ের জন্য জোর করতেই তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করেন প্রেমিক বলে অভিযোগ।
অভিযুক্তকে, জলগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে MIDC পুলিশ। বুধবার, পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম জাভেদ শেখ শহিদ মানিয়ার। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয় জাভেদকে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত জাভেদকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জলগাঁওয়ের রাভের (Raver) তহসিল এলাকার বাসিন্দা জাভেদ নাগপুরে একজন এয়ার কন্ডিশনার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। ওই মহিলাকে গত প্রায় ১৫ বছর ধরে চিনতেন জাভেদ। মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়েও উঠেছিল। জাভেদকে বিয়ের জন্য চাপ দিতেন মহিলা। এ দিকে, জাভেদ বিবাহিত হওয়ার কারণে বিয়ে করতে চাইতেন না। এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায় দিনই বিবাদ হতো।
পুলিশের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, গত রবিবার মহিলার বাড়িতে এসেছিলেন জাভেদ। সেই সময়ে মহিলার স্বামী কাজের জন্য পাশের গ্রামে গিয়েছিলেন। দুই মেয়েও গিয়েছিল তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে। সেই সময়ে দু'জনের মধ্যে ফের বিবাদ হয়। সেই সময়েই মহিলার মাথায় ভারী কোনও জিনিস দিয়ে আঘাত করেন জাভেদ। এর পরেই তিনি মহিলার দেহ রুম হিটার দিয়ে পুড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, রবিবার রাতেই ট্রেন ধরে জলগাঁও পালিয়ে যান জাভেদ। সোমবার সকালে ওই খুনের কথা জানাজানি হয়। এর পরেই তদন্ত চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।
