চট্টগ্রামের একটি ডাকঘরে অভিযান চালিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ ১৯ হাজার ৬৯১ পিস রং ফর্সাকারী ক্রিম ও ১ হাজার ৩৪০ পিস ভ্যাপ লিকুইড জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। ৩১টি কার্টনে থাকা এসব পণ্যের বাজারমূল্য কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নগরের ফকিরহাট-সংলগ্ন ডাকঘরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চালানটি জব্দ করা হয়।
কাস্টমস সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে পাঠানো চালানটি প্রথমে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। পরে রেলপথে তা চট্টগ্রামে আনা হয়। এরপর ডাক বিভাগের গাড়িতে করে চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ নম্বর ফটকসংলগ্ন ডাকঘরে নেওয়া হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।
জব্দ হওয়া পণ্যের মধ্যে- ২৯টি কার্টনে ছিল ১৯ হাজার ৬৯১ পিস আমদানি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম। বাকি দুটি কার্টনে পাওয়া যায় ১ হাজার ৩৪০ পিস ই-সিগারেটের তরল বা ভ্যাপ লিকুইড। সব মিলিয়ে চালানটিতে পণ্যের সংখ্যা ২১ হাজার ৩১ পিস।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, সমুদ্রবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা, চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ অবস্থায় একটি চক্র ডাকঘরকে ব্যবহার করে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য দেশে আনার চেষ্টা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাকঘর থেকে নিষিদ্ধ পণ্যের চালান আটক করা হয়েছিল।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ধারণা, প্রচলিত নজরদারি এড়িয়ে নিষিদ্ধ পণ্য দেশে আনতে ডাক বিভাগের ব্যবস্থাকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে চক্রটি। এ ধরনের চোরাচালান ও অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এমআর/বিআরইউ
