চোরবাগান কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, তাই কালীপুজোর ভিড় সামাল দিতে আগাম তৎপর বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। দুর্গাপুজো শেষ হতে না হতেই কালীপুজোর প্রস্তুতি হিসেবে নৈহাটির বড়মার মন্দিরে (Naihati Boroma Temple) পরিদর্শনে গেলেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অমিতকুমার সিং। কালীপুজোয় বড়মার মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।
প্রতিবছরই কালীপুজোয় নৈহাটির বড়মার মন্দিরে লাখ লাখ ভক্তের সমাগম হয়। মানস্কামনা পূরণে দণ্ডিও দেন বহু পুণ্যার্থীরা। এই বিপুল জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা পুলিশের কাছে কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়ে। বিশষেত, এবছর দুর্গাপুজোয় সপ্তমীতে চোরবাগানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর আরও বেশি সতর্ক প্রশাসন। তাই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লক্ষ্মীপুজোর আগেই বড়মার মন্দির চত্বর থেকে গঙ্গার ঘাট পর্যন্ত এলাকা পরিদর্শনে যান পুলিশ কমিশনার।
বড়মার মন্দির ফাঁড়ি ও নৈহাটি থানার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে গঙ্গার ঘাট পর্যন্ত গোটা অরবিন্দ রোড ঘুরে দেখেন বারাকপুরের সিপি। দর্শনার্থীদে মন্দিরে আসা এবং বেরনোর রাস্তা, দণ্ডির জন্য গঙ্গার ঘাট থেকে মন্দির পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের জন্য রাস্তা সচল রাখা, পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও এদিন প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেন তিনি। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অমিতকুমার সিং জানিয়েছেন, “বড়মার প্রতি বছর ৫-৬ লাখ ভক্ত সমাগম হয়। এই পরিমাণ ভিড় সামলাতে যেন কোনও খামতি না থাকে, তাই আগেভাগেই পরিদর্শন করা হল।” ভিড় নিয়ন্ত্রণে কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন থাকবে, গোটা পরিস্থিতির উপর কীভাবে নজরদারি চালানো হবে, তা নিয়ে প্রশাসনের তরফে মন্দির কমিটিকেও অবগত করা হয়েছে।
