ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম আসিফ (২৫)। তিনি রাজাপুর এলাকার মো. দলু মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে, আহত হোসেন ম্যানেজার (৫০) রাজাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
আরও পড়ুন
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে বিএনপি নেতা হোসেনকে কুপিয়ে জখম করে আসিফ। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় আসিফকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, হামলায় গুরুতর আহত বিএনপি নেতা হোসেন ম্যানেজার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইলিশা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক বশির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ আসিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রবিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ।
এ ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি।
ইমতিয়াজুর রহমান/আজহার/
আরও পড়ুন
মৃদুল কান্তি দাসের স্মরণে ছাত্র ফেডারেশনের শোকসভা
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৃদুল কান্তি দাস এর জীবনাবসানে এক শোকসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় সভাপতি মিতু সরকার এর সভাপতিত্বে এই শোকসভায় স্মৃতিচারণ করেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল বালো, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য নিশীথ পাল, মৃদুল দাসের বন্ধু, সহযোদ্ধা বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য হেমন্ত দাস এবং আবদুস সামাদ।
আরও পড়ুন
স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন, বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের সাবেক সভাপতি হাসিবুর রহমান,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান হীরো এবং ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের অর্থ সম্পাদক সাজ্জাদ সুমন। বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মুঈনুদ্দীন আহামেদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়।
সভার শুরুতে মৃদুল কান্তি দাসের অকাল প্রয়ানে তার স্মরণে একমিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।
মৃদুল কান্তি দাস ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন এর ৬ষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক। ২০০২ সালের কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি পাবনা ছেড়ে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করে ঢাকায় আসেন। তার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ঋজুতা ছিল। বিপ্লবী উপাদান ছিল। ধৈর্য নিয়ে তিনি সাংগঠনিক কাজ করতেন। সাহসী এবং স্পষ্টভাষী এই রাজনৈতিক মানুষটির চিন্তার পদ্ধতি এবং স্পষ্ট বক্তব্য অন্যদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়েছিল। তিনি স্কুল এবং কলেজ জীবনে বদরুদ্দীন উমরের লেখা পাঠ করতেন এবং পাবনায় বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের অফিসে যাতায়াতের মাধ্যমে শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক শিক্ষা লাভ করেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বের পূর্বেও তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে বিশাল সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। সেসময় এসএসসি পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিলের প্রতিবাদে বিশাল ছাত্র সমাবেশ ঘটিয়েছিলেন পাবনা মুক্তমঞ্চে। কেন্দ্রীয় এই নেতার রাজনৈতিক চিন্তা পদ্ধতির ছাপ সংগঠন পরবর্তীতে বয়ে নিয়ে গেছে।
গত ৭ অক্টোবর কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যায় বনানী ফ্লাইওভরের কাছে তার মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট হয়। পরবর্তীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন এই অনিরাপদ সমাজ ব্যবস্থার বিপরীতে নিরাপদ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংগ্রাম করে আসছে। মৃদুল দাসের মৃত্যু আমাদের সেই অঙ্গিকারকে আরও বেশি শানিত করে। সহযোদ্ধা মৃদুল কান্তি দাস, লাল সালাম।
এসএন/
আরও পড়ুন
বান্দরবানে ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা কারাগারে
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
শৈক্যচিং মার্মা। ছবি: সংগৃহীত
-->বান্দরবানে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যচিং মার্মাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ৪৩ বছর বয়সী এক নারী বান্দরবান সদর থানায় শৈক্যচিং মার্মার বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অভিযুক্ত শৈক্যচিং মার্মা বান্দরবান সদর উপজেলার মধ্যম পাড়ার বাসিন্দা মংশৈপ্রু মার্মার ছেলে।
আরও পড়ুন
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর পাঁচ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তিনি বসবাস করছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি তার দূরসম্পর্কের দুলাভাই। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত পাঁচ মাসে বান্দরবান শিশু পার্কের পাশের একটি রিসোর্টে নিয়ে অভিযুক্ত তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার ওই নারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি রিসোর্টে দুপুরের খাবার খান। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিয়ের বিষয়ে কথা বলার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে বিয়ে করবেন না বলে জানান এবং খারাপ ব্যবহার শুরু করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন রিসোর্টে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বান্দরবান সদর থানার তদন্ত (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নারী অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে বান্দরবান সদর মধ্যম পাড়া নিজ বাড়ি থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির বান্দরবান জেলা কমিটির আহ্বায়ক মং সা প্রু চৌধুরী বলেন, শৈক্যসিং মারমার বিষয়ে তারা তদন্ত করে দেখছেন। শৈক্যসিং ও এনসিপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কেউ ষড়যন্ত্র করেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শৈক্যসিং মারমার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএন/
আরও পড়ুন
কিশোর গ্যাং নির্মূলে ওসিকে ২ মাসের সময় দিলেন চিফ হুইপ
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি। ছবি: খবরের কাগজ
-->কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি। এ সময়ের মধ্যে কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে না পারলে ওসিকে দায়িত্বে থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন চিফ হুইপ। এ সময় পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে না পারলে আপনি (ওসি) থাকবেন না। আগামী দুই মাস সময়, দুই মাস। কোনো কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না।’
আরও পড়ুন
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘চাঁদাবাজি করে যারা খাবেন, চাঁদাবাজির কোনো জায়গা পাথরঘাটায় নেই। ওসি সাহেব, চাঁদাবাজির প্রশ্নে যদি কোনো সমস্যা থাকে, হয় আপনি থাকবেন, না হয় চাঁদাবাজ থাকবে। সন্ত্রাসী আর দখলবাজ পাথরঘাটায় থাকতে পারবে না।’
নিজের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে চিফ হুইপ ওসিকে আউয়াল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তার নাম ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি কোথাও কিছু করার কথা বলে চাঁদা নিয়েছেন। আউয়ালসহ আরও একজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আউয়ালকে গ্রেপ্তার করে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে চিফ হুইপ বলেন, তার নাম ব্যবহার করে কেউ দখলবাজি করলে তাকে ফোনে না পেলে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠাতে। তিনি রাতে বার্তা দেখেন বলেও জানান।
কোস্টগার্ডের সোর্স পরিচয়ে কেউ অনিয়মে জড়ালে সতর্ক করে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, প্রয়োজনে তাদের গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করা হবে। থানায় দালালি বন্ধ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন
কুমিল্লায় পুলিশ ফাঁড়ির সামনে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
মো. আবু কাউছার। ছবি: সংগৃহীত
-->কুমিল্লায় পুলিশ ফাঁড়ির সামনে মো. আবু কাউছার (৩৫) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাকে বহনকারী অটোরিকশাচালক মো. মাছুম মিয়া।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ে ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউছার নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাপ্তানবাজার এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে। এ ছাড়া তিনি দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরীর কাপ্তানবাজার এলাকার কাউছারের বন্ধু মো. শামীম এবং আদর্শ সদর উপজেলার নন্দীরবাজার এলাকার তানজিল ও তৌহিদের মধ্যে ছত্রখিল এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। শুক্রবার সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে শামীম, তার বন্ধু কাউছার, হেলাল উদ্দিনসহ কয়েকজন গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
নিহত কাউছারের বন্ধু হেলাল উদ্দিন জানান, জমি নিয়ে চলমান বিরোধ নিরসনের জন্য তাদের সেখানে যেতে বলা হয়েছিল। তার ভাষ্য, তারা সেখানে যাওয়ার পর তৌহিদ, তানজিলসহ তাদের লোকজন পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। তারা কাউছারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।
কাউছারকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অটোরিকশাচালক মো. মাছুম মিয়াকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, মরদেহ দেখতে বিকেল ৪টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, পরিবারটি বিএনপির জন্য নিবেদিত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা দুঃখজনক। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ঘটনার পর হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটক করতে পুলিশের চেষ্টা চলছে।
জহির শান্ত/রিফাত/
