বছরভর শারীরচর্চা নিয়ে তেমন উৎসাহ না থাকলেও, পুজোর ২-৩ মাস আগে থেকে জিমমুখী হন অনেকেই। পুজো যত এগিয়ে আসতে থাকে ওজন কমাতে এবং শরীরের অবাঞ্ছিত মেদ গলাতে শুরু হয় বাড়তি প্রচেষ্টা। অনেকেই পুরো সপ্তাহ জিম করতে না পেরে ২-৩ দিন বাড়তি কসরত করে লক্ষ্যপূরণে উদ্যোগী হন।
শারীরচর্চা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, কিন্তু কতটা? গাজিয়াবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক মনীষ অগ্রবাল বলছেন, হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য শারীরচর্চা জরুরি। কিন্তু নিয়মিত অভ্যাস ছাড়া কেউ হঠাৎ করে বেশি কায়িক শ্রমের ব্যায়াম করতে গেলে সমস্যা হতে পারে।
ওজন নিয়ে ব্যায়ামে বা বেশি পরিশ্রমের শারীরচর্চায় পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উপযুক্ত বিশ্রাম নিলে তবেই সেই ক্ষতি পূরণ হয়। আর তা হয় নিজে থেকেই। কিন্ত কেউ যদি নিয়মমাফিক বিশ্রাম বা বিরতি না নিয়ে অল্প সময়ে বেশি ব্যায়াম করতে যান, তবে হিতে বিপরীত হতে পারে।
অতিরিক্ত কায়িক শ্রম মানেই অবশ্য ক্ষতিকর নয়। কিন্তু কারা, কী ভাবে তা অভ্যাস করছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের ব্যায়াম অভ্যাস করতে হয় ধীরে ধীরে। একবার আয়ত্ত হয়ে যাওয়ার পর নিয়ম মেনে সময়সীমা বৃদ্ধি করতে হয়।
কোন কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়া জরুরি
· শারীরচর্চার সময়ে অতিরিক্ত হাঁপ ধরলে
· অসম্ভব ক্লান্ত লাগলে
· বিশ্রাম না নিয়ে টানা শারীরচর্চা করলে
· শারীরচর্চার সময়ে হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেলে
কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন
· জিম করতে করতে বুকে চাপ লাগলে, অস্বাভাবিক ঘাম বা ব্যথা শুরু হলে
· আচমকা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
· চারপাশ অন্ধকার হয়ে মাথা ঘুরে গেলে
· পরিবারে হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকলে, ডায়াবিটিসের সমস্যা হলে অবশ্যই বাড়তি সকর্কতা জরুরি।
