তিলক-নীতিশের ঝড়ে ভারতের রোমাঞ্চকর জয়
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শেষ পাঁচ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ৬৮ রান। হাতে মাত্র চার উইকেট। ১৮১ রানের লক্ষ্য তখন অনেকটাই দূরের পথ। কিন্তু তিলক বর্মা ও নীতিশ কুমার রেড্ডির অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে সেই কঠিন সমীকরণই মিলিয়ে দিল ভারত। শেষ ওভারের রোমাঞ্চ জিতে নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল।
আজ (২৪ অক্টোবর) ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮০ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। জবাবে একসময় ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। সেখান থেকে তিলক ও নীতিশের অবিচ্ছিন্ন লড়াইয়ে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
তিলক অপরাজিত ৫১ রান করেন মাত্র ২৬ বলে। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছক্কা। অন্য প্রান্তে নীতিশ ১৩ বলে অপরাজিত ২৬ রান করে দারুণ সঙ্গ দেন। শেষ ওভারে ডিপ স্কয়ার লেগের দিকে বল ঠেলে দিয়ে জয়ের রানটি পূর্ণ করেন নীতিশ।
আরও পড়ুন
এর আগে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেওয়ার প্রায় সব আয়োজনই করে ফেলেছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। চার উইকেট নিয়ে ভারতের রান তাড়ায় বড় ধাক্কা দেন তিনি। তার শিকার হন নিতিশ ধীরও। আউট হওয়ার আগে ১৭ বলে ৩১ রান করে জয়ের ভিত গড়ার চেষ্টা করেছিলেন এই ব্যাটার।
১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। ম্যাট হেনরির প্রথম ওভারেই কোনো রান করতে পারেনি সাঞ্জু স্যামসন। পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রান তোলার গতি বাড়ান অভিষেক শর্মা। তবে ২৭ রান করে স্যান্টনারের শিকার হন তিনি।
এর আগেই গতির কাছে হার মেনে সাজঘরে ফিরেছিলেন স্যামসন ও বৈভব সূর্যবংশী। এরপর স্যান্টনার একই ওভারে অক্ষর প্যাটেল ও শ্রেয়াস আইয়ারকে ফিরিয়ে ভারতের রান তাড়াকে আরও কঠিন করে তোলেন। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। কিন্তু নিতিশ ধীরের পর তিলক ও নীতিশের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত।
অনিক/
আরও পড়ুন
চোটে ছিটকে গেলেন নর্টজে
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টেস্টের আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কুঁচকির চোটের কারণে শেষ টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন পেসার আনরিচ নর্টজে। আজ (২৪ অক্টোবর) নিউল্যান্ডস টেস্টের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নর্টজের জায়গায় নতুন কাউকে দলে না নিয়ে বাকি ক্রিকেটারদের ধরে রেখেছে স্বাগতিকরা।
আগামী ২৭ অক্টোবর কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে শুরু হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট। দুই দলের সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচে নর্টজেকে না পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বড় ধাক্কা। দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩.৩ ওভার বোলিং করার পর অস্বস্তি অনুভব করেন নর্টজে। এরপর মাঠ ছেড়ে যান তিনি। ম্যাচের বাকি সময়ে আর মাঠে ফেরা হয়নি এই পেসারের।
তবে নর্টজেকে ছাড়াই ম্যাচটিতে দাপুটে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ও ৩১ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা টানে স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট জিতেছিল ২১৪ রান ব্যবধানে।
আরও পড়ুন
দক্ষিণ আফ্রিকা দল
টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), মার্কুয়েস অ্যাকারম্যান, ডেভিড বেডিংহাম, করবিন বশ, ম্যাথু ব্রিটজকে, জেরাল্ড কোয়েৎজি, সাইমন হারমার, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, এইডেন মার্করাম, উইয়ান মুল্ডার, সেনুরান মুথুস্বামী, ডেন প্যাটারসন, কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন ও কাইল ভেরেইনে।
অনিক/
আরও পড়ুন
সাফের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা বাংলাদেশের
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
রোনান সুলিভান। ছবি: সংগৃহীত
-->সামনের মাসে ঢাকায় পর্দা উঠবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, আগামী ৫ নভেম্বর। চলবে ১৭ তারিখ পর্যন্ত। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে আজ (২৪ অক্টোবর) ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
প্রাথমিক দলে ডাক পড়েছে রোনান সুলিভান ও মাহি খানের। এখনও বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়নি তাদের। দুজনেরই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মাহি এখন খেলছেন ইংল্যান্ডের নবম স্তরে, মলটন এফসির হয়ে। রোনান যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট জোসেফস হকসের হয়ে কলেজ ফুটবলে খেলছেন, যিনি গত এপ্রিলে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ পারফরম্যান্স করে কোচ টমাস ডুলির চোখে পড়েছেন।
বাংলাদেশের প্রাথমিক দল
আরও পড়ুন
গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন ও মেহেদী হাসান।
ডিফেন্ডার: তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, জিদান ইউসুফ, রহমত মিয়া, ঈসা ফয়সাল, তারিক কাজী ও জায়ান আহমেদ।
মিডফিল্ডার: মো. সোহেল রানা, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত শোম, কাজেম শাহ, জামাল ভূঁইয়া ও শেখ মোরসালিন।
ফরোয়ার্ড: ফারহান আলী, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ, ফাহামিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মিনহাজুল করিম, রোনান সুলিভান, মাহি খান ও শুখি ইতোফুসা।
অনিক/
আরও পড়ুন
টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচ, ভারতের সামনে শুধু পাকিস্তান
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছে ভারত। পাকিস্তানের পর বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে এই কীর্তি গড়েছে তারা। আজ (২৪ অক্টোবর) ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নেমে এই মাইলফলক স্পর্শ করে ভারত।
এর আগে এই কীর্তি গড়েছিল পাকিস্তান। এখন পর্যন্ত ৩০৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছে তারা। ভারতের পর এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। কিউইরা খেলেছে ২৬৯টি ম্যাচ। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৬০টি এবং শ্রীলঙ্কা ২৪৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছে।
জয়ের হিসাবে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে ভারত। ৩০০ ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ১৯৯টিতে, হেরেছে ৮৩টিতে। সাতটি ম্যাচ টাই হয়েছে এবং ১০টি ম্যাচের ফল আসেনি। অন্যদিকে, ৩০৪ ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের জয় ১৭৬টি। হার ১১৬ ম্যাচে। চারটি ম্যাচ টাই হয়েছে, আর আটটি ম্যাচে কোনো ফল হয়নি।
আরও পড়ুন
সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা দল
- পাকিস্তান— ৩০৪ ম্যাচ
- ভারত— ৩০০ ম্যাচ
- নিউজিল্যান্ড— ২৬৯ ম্যাচ
- ওয়েস্ট ইন্ডিজ— ২৬০ ম্যাচ
- শ্রীলঙ্কা— ২৪৩ ম্যাচ
অনিক/
আরও পড়ুন
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নতুন কোচ পোলার্ড
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দীর্ঘ শিরোপা খরা কাটাতে এবার ঘরের ছেলেকেই দায়িত্ব দিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের নতুন কোচ হলেন কাইরন পোলার্ড। খেলোয়াড় হিসেবে মুম্বাইয়ের সাফল্যে বড় অবদান রাখা এই ক্যারিবীয় তারকার কাঁধেই এবার দলের ভাগ্য বদলানোর দায়িত্ব।
মহেলা জয়াবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন পোলার্ড। আইপিএল ২০২৬-এ দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর কোচিংয়ে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বাই। তবে বড় ধরনের রদবদলের পথে না হেঁটে পরিচিত মুখের ওপরই আস্থা রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এর আগে দুই মৌসুম দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পোলার্ড।
২০২০ সালে সর্বশেষ আইপিএল শিরোপা জিতেছিল মুম্বাই। এরপর ছয় মৌসুম কেটে গেলেও আর ট্রফি জেতা হয়নি দলটির। ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে এটিই দীর্ঘতম শিরোপা খরা। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতেই এবার নতুন দায়িত্বে পোলার্ড।
আরও পড়ুন
মুম্বাইয়ের সঙ্গে পোলার্ডের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালের আইপিএলের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টিতে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর তাকে দলে নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এরপর খেলোয়াড় হিসেবে মুম্বাইয়ের পাঁচটি শিরোপা জয়ের অভিযানের সঙ্গে ছিলেন তিনি। অবসরের পরও কোচিং স্টাফের সদস্য হিসেবে ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
দল সম্পর্কে গভীর ধারণা এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে সুসম্পর্কই পোলার্ডকে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। রোহিত শর্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ার মতো তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। নতুন দায়িত্বে এই সম্পর্কগুলো দলের জন্য কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সহ-মালিক নীতা আম্বানি পোলার্ডের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘পলি ভালো করেই জানে, এমআইয়ের জার্সি পরার অর্থ কী। পল্টানের হয়ে খেলতে কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, সেটিও তার জানা। আমার বিশ্বাস, নতুন দায়িত্বেও সে একই প্রতিশ্রুতি, বিশ্বাস ও সংকল্প নিয়ে কাজ করবে।’
নতুন দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পোলার্ডও বলেন, ‘খেলোয়াড় এবং পরবর্তীতে কোচ হিসেবে এই পুরো যাত্রার সাক্ষী থাকার সুবাদে আমি বুঝতে পারি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আসলে কিসের প্রতীক এবং 'ব্লু অ্যান্ড গোল্ড' জার্সির প্রতিনিধিত্ব করার সাথে কতটা বড় দায়িত্ব জড়িত।’
পাপ্পু/
