ছবির ক্যাপশন: .
অনলাইন ডেস্ক
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি তেল ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ-এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। রোববার ফিনান্সিয়াল টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তাঁর “সবচেয়ে পছন্দের” বিষয়গুলোর একটি। একই সঙ্গে খারগ দ্বীপের রপ্তানি কেন্দ্র নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ রয়েছে।
তিনি এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলা-তে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে তুলনা করেন। দাবি করা হয়, দেশটির রাজধানী কারাকাস-এ গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক অভিযান চালানো হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো-কে আটক করা হয়। এরপর থেকে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছে ওয়াশিংটন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে, ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াই আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে কিছু লোক এর বিরোধিতা করছে।”
খারগ দ্বীপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা হয়তো দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেব, আবার নাও নিতে পারি। আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে। প্রয়োজনে সেখানে কিছুদিন অবস্থান করতে হতে পারে।”
ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “আমার মনে হয় না তাদের কার্যকর প্রতিরক্ষা আছে। খুব সহজেই এটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া সম্ভব।”
উল্লেখ্য, ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির তেলের মজুত প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১১.৮২ শতাংশ।
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি রপ্তানির মূল কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস এই দ্বীপ থেকেই রপ্তানি করা হয়। কৌশলগত দিক থেকেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল।
সূত্র: বিবিসি