নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আলোচিত মাকসুদা বেগম (৬৪) হত্যা মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি সাদ্দামকে ঢাকার একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে নিহতের বড় ছেলে ব্যবসায়ী নাদিম মিয়া বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাদ্দাম ও সামাউন হাবিবসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বন্দরের মাহমুদনগর এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভাঙারি ব্যবসার পাওনা ১৯ লাখ টাকা নিয়ে একই এলাকার সাদ্দামের সঙ্গে নিহতের ছোট ছেলে রাসেল ও জজ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে সাদ্দাম নানা ধরনের তালবাহানা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার দিন রাতে মাকসুদা বেগম সাদ্দামের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দামসহ অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাসেলের ওপর হামলা চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় রাসেলকে কুপিয়ে জখম করা হলে ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান মাকসুদা বেগম। তখন হামলাকারীরা মাকসুদা বেগম ও শফিকুলকে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই মাকসুদা বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার একটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
