ঢাকা-রোম ফ্লাইট বাড়ানো ও পর্যটন উন্নয়নে ইতালির সঙ্গে সমঝোতায় আলোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
- প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
- ১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-রোম আকাশপথে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো, বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে ইতালির বিনিয়োগ এবং পর্যটন উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। সাক্ষাৎকালে ইতালির দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লিও উপস্থিত ছিলেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াতে ইতালি সরকারের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পর ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। ইউরোপে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর সুবিধার বিষয়টিও এক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে। এভিয়েশন খাতে ইতালির বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) সুবিধা গড়ে তোলার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এক্ষেত্রে ইতালির এজ কোম্পানি, আতিতেক এসপিএ ও জিলারদোনির অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও উদ্বোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যে যাতায়াত আরও সহজ করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠনের বিষয়টি উঠে আসে। বাংলাদেশে ইতালীয় পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। পর্যটন আকর্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন বিনিময় আরও বাড়ানোর বিষয়ে মত দেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ লক্ষ্য সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা হয়। সাক্ষাতে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ? করার পাশাপাশি বিমান চলাচল, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ এবং পর্যটন উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ


