

আমাদের হাত, আমাদের ভবিষ্যৎ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে পাকুন্দিয়া পৌরসভার আয়োজনে এবং নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (ইউজিআইপি) সহযোগিতায় এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (ভাঃ) আব্দুল মান্নান খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবেদ হোসেন, পাকুন্দিয়া পৌরসভার সাবেক কমিশনার মস্তোফা কামাল, সাংবাদিক আবু হানিফ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা এবং রোগ প্রতিরোধে সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সুস্থ জীবনযাপনে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
“আমাদের হাত, আমাদের ভবিষ্যৎ'' এই প্রতিপাদ্যে শেরপুরের নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নকলা পৌরসভার আয়োজনে এবং নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (আইইউজিআইপি) সহযোগিতায় নকলা পৌর কার্যালয় চত্বরে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্তরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর শরিফুল ইসলাম শরীফ, আব্দুল করিম হেলথকেয়ার কেয়ার সেন্টারের ডাঃ রিফাত হাসান, চৌধুরী ছবরুন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক লিটন প্রমুখ। এসময় নকলা পৌরসভার কর্মকর্তা/কর্মচারী, সাংবাদিক, শিক্ষার্থীরাসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এর পরে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের সঠিকভাবে হাত ধোয়ার কৌশল শিখানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সুস্থ জীবনযাপন ও রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

সীমান্তে ৮০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করলো বিজিবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলা সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পৃথক অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া ও কসবা উপজেলার মঈনপুর, চন্ডিদার, কসবা, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল ও শংকুচাইল বিওপির টহলদল সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবির পক্ষ থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এই সংক্রান্ত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য নিশ্চিত করেন বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস এম শরিফুল ইসলাম বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া ও কসবা উপজেলার মঈনপুর, চন্ডিদার, কসবা, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল ও শংকুচাইল সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ভারতীয় অবৈধ বাসমতি চাউল, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, গরু, চকলেট, শাড়ী, ডেরোবিন ক্রিম, অলিভ অয়েল, নারিকেল তৈল, শ্যাম্পু, সাবান, মদ, গাঁজা ও ইজিবাইক জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের বাজার মূল্য প্রায় ৭৯ লাখ ৮১ হাজার ৮১০ টাকা। অভিযানে বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত ভারতীয় পণ্য সামগ্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা কাস্টমসে জমা দেওয়া হবে। সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবি'র এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

পোরশায় হেরোইনসহ চোরাকারবারী আটক
নওগাঁর পোরশায় হেরোইনসহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে ১৬ বিজিবি সদস্যরা। বুধবার রাতে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ নীতপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা নিতপুর কাপালির মোড় নামক স্থানে ঢাকাগামী সোনারতরী যাত্রীবাহী বাসে অভিযান পরিচালনা করে ৬৪০ গ্রাম হেরোইন সহ মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে ওই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়। নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) এর অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় সহকারী পরিচালক ভারপ্রাপ্ত এ্যাডজুটেন্ট মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করেন। আটক চোরাকারবারী সাপাহার উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে। আটককৃত মনিরুলের বিরুদ্ধে পোরশা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং মাদকদ্রব্যসহ আসামীকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৬ বিজিবি নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ সীমান্ত পারাপার/গরু/মাদক পাচার এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে সর্বাত্বক অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

কুয়াকাটার ঐতিহ্যবাহী সীমা বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনে নিষেধাজ্ঞা
পটুয়াখালী কুয়াকাটায় ঐতিহ্যবাহী মিশ্রিপাড়া সীমা বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়। বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে মারধরের ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকাল বিকালে এ সিদ্ধান্তের পর বিহার পরিদর্শনে গিয়ে ফিরে আসেন পর্যটক ও দর্শনার্থীরা৷ এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। বিহারের মহাথেরো উত্তম ভিক্ষু বলেন, গত মঙ্গলবার সকালে বিহার সীমানার মধ্যে একটি দোকানঘর নির্মানের কাজ শুরু করে বিহার কর্তৃপক্ষ। এসময় স্থানীয় নাসির হাওলাদার ও সামসুল আলম বিহারের মধ্যে জমি দাবি করে সভাপতি মংলাচিনকে মারধর করেন। এ ঘটনায় গতকাল মংলাচিন মহিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বিহার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন রাখাইন সম্প্রদায়। মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার বলেন, অভিযোগের বিষয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ বিহারে স্থাপিত অষ্টধাতুর তৈরী ৩৭ মন ওজনের গৌতম বুদ্ধের ধ্যানমগ্ন মূর্তি পরিদর্শনে প্রতিনিয়ত ভীড় জমায় হাজারো পর্যটক ।

বিলাইছড়ি হেডম্যান কার্বারীদের নিয়ে সেনাজোনের মতবিনিময়
রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা হেডম্যান ও কার্বারীদের নিয়ে সেনা জোনের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিলাইছড়ি সেনাজোনের (২৯ বীর) প্রধান কার্য়ালয়ে শান্তি শৃঙ্খলা ও সার্বিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী, পিএসসি এর নেতৃত্বে সভা উদযাপিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত হেডম্যান এবং কার্বারীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এছাড়া সভায় বিভিন্ন ক্লাব এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জোন কমান্ডার বলেন, এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সেনা বাহিনীর ২৯ বীর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এবং এখন পর্য়ন্ত বিলাইছড়ির শান্তি শৃঙ্খলা ভালো আছে বলা যায়। এজন্য তিনি হেডম্যান এবং কার্বারীদের সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন, আপনারা এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং আপনারা এখানে যুগ যুগ ধরে বসবাস করছেন। তাই এখানকার সম্পর্কে আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন। আমরা সবাই যদি একতাবদ্ধ থাকি তাহলে বাইরের কোন দুষ্কৃতিকারী কোন কিছু করার সুযোগ পাবেনা। তিনি আরও বলেন, আসন্ন সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপূজা সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিলাইছড়ি জোন সর্বাত্বকভাবে কাজ করে যাবে এবং আপনাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, পুরো বিলাইছড়ি সেনাজোন আপনাদের সেবায় সবসময় নিয়োজিত আছে, ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তাই আগাম কোন ঘটনা ঘটার আভাস পেলে নিকটস্থ ক্যাম্প কমান্ডারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করন তিনি।


