অ্যালেক্সাস ফিওরডিলিনো (বাঁ দিকে) এবং ভিনসেন্ট লরেঞ্জো ফিওরদিলিনো (ডান দিকে)ছবি: X
Published on
:
1 min read
উপুড় হয়ে জলে ভাসছিল ১৮ মাস বয়সি শিশু। দেখে ভয়ে পেয়ে যান বাড়ির সবাই। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয় মর্গে। কিন্তু অভিযোগ, পাঁচ ঘণ্টা পরে শিশুর মা অ্যালেক্সাস ফিওরডিলিনোকে ফোন করে বলা হয়, ‘আপনার ছেলে বেঁচে আছে। এসে নিয়ে যান।’ আমেরিকার অ্যারিজ়োনার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
ভিনসেন্ট লরেঞ্জো ফিওরদিলিনোর ছেলে সবে হাঁটতে শিখেছে। টলোমলো পায়ে সারা বাড়ি দৌড়ে বেড়ায়। গত মঙ্গলবার বাড়ির সবাই ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। একা একাই খেলছিল শিশুটি। কোনও ভাবে সুইমিং পুলে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে তাকে উপুড় হয়ে ভাসতে দেখেন বাড়ির লোক। সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি ৯১১ নম্বরে ফোন করেন ভিনসেন্টের মা অ্যালেক্সাস।
কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসে উদ্ধারকারী দল। কিন্তু তখন ভিনসেন্টের কোনও জ্ঞান নেই। তড়িঘড়ি তাকে মার্সি গিলবার্ট মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয় মর্গে। এর পরেই ঘটে বিপত্তি। পাঁচ ঘণ্টা পরে মর্গ থেকে অ্যালেক্সাসের কাছে ফোন আসে। তাঁকে জানানো হয়, ‘আপনার ছেলে বেঁচে আছে। নিয়ে যান।’
ছেলেকে ফিরে পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেছেন অ্যালেক্সাস। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মার্সি গিলবার্ট মেডিক্যাল সেন্টার এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গিলবার্ট পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অ্যারিজ়োনার অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তরকেও বিষয়টি পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার পর থেকে শিশুর শারীরিক অবস্থায় পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি অ্যালেক্সাসের। এখন তাকে ফিজ়িও থেরাপি করানো হচ্ছে। পাশাপাশি, তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতার উপর নজর রাছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতেও শিশুটির দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও পরিচর্যার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি মার্সি গিলবার্ট মেডিক্যাল সেন্টার। তারা শুধু একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘মর্মান্তিক ঘটনা।’
