শিকাগোয় হিন্দু মন্দিরে গণহত্যার ছক কষেছিল ১৯ বছরের এক যুবক। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া, ঘটনাটি মার্কিন মুলুকে ‘বর্ণবিদ্বেষী এবং হিন্দু-বিরোধী’ মনোভাবের উদাহরণ।
শিকাগোর ঘটনায় বিবৃতি দেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, “ইলিনয়ের অরোরা এলাকায় একটি হিন্দু মন্দিরে গণহত্যা চালানোর একটি কথিত ষড়যন্ত্রের সংবাদে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই ষড়যন্ত্রের হিন্দু-বিরোধী ও বর্ণবিদ্বেষী প্রকৃতি, যার মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের প্রতি সহিংসতার প্রবণতা, বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ অক্টোবর শিকাগোর ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের অরোরা এলাকায় একটি হিন্দু উপাসনালয়ে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন আলেকজান্দ্রোস পাপোরাকিস। এই পরিকল্পনার কথা তিনি তাঁর এক সহকর্মীকে জানিয়েছিলেন। দিনটিকে ‘বিশেষ দিন’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরে আচমকাই অস্ত্রের সমস্যা হয়। সেই কথাটিও তিনি ওই সহকর্মীকে জানান। জানা গিয়েছে, অস্ত্রের সমস্যার কারণেই ভেস্তে যায় সমস্ত ষড়যন্ত্র। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক রাইফেল, রাইফেলের ম্যাগাজিন, বডি আর্মার (সুরক্ষাকবচ) এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের ছবি। উদ্ধার হয়েছে একাধিক নথিও যেখানে লেখা ছিল প্রচুর ভারত বিরোধী স্লোগান।
এই বিষয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গৃহীত পদক্ষেপ, সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ, আমরা সবটাই নজরে রাখছি।” এই ধরনের ঘটনা আমেরিকায় ক্রমবর্ধমান বর্ণবিদ্বেষ ও ভারত-বিরোধী ঘৃণার মনোভাবকেই ইঙ্গিত করে, মন্তব্য করে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আহ্বান জানান, এমন ঘটনায় যেন জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে মার্কিন প্রশাসন।
