Published on
:
2 min read
পুকুর থেকে উদ্ধার হলো সাড়ে তিন মাসের শিশুর দেহ। শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ঘটনা। ইতিমধ্যেই মৃত শিশুর মা মামনি দাসকে আটক করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।
এক নজরে
পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কুরম্ব গ্রামে পুকুর থেকে উদ্ধার সাড়ে তিন মাসের শিশুর দেহ।
শনিবার রাতে শাশুড়ির সঙ্গে দুর্গাপুজো দেখতে গিয়েছিলেন শিশুটির মা মামনি দাস।
রাত ১১টা নাগাদ শিশুটি নিখোঁজ বলে চিৎকার শুরু করেন মামনি।
শিশুটির দাদুর অভিযোগের ভিত্তিতে মামনিকে আটক করেছে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ।
শিশুটির মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, মামনির শ্বশুরবাড়ি ক্ষীরগ্রামে। শনিবার রাতে শিশুটিকে নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে দুর্গাপুজো দেখতে কুরম্ব গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। রাতে ফিরেও আসেন। ১১টা নাগাদ আচমকাই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তিনি।
পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পাশের একটি পুকুর থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। শিশুটির দাদুর দাবি, সাড়ে তিন মাসের শিশু কী ভাবে পুকুরে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হোক। তিনিই মঙ্গলকোট থানায় মামনির নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এর পরেই তদন্তে নেমে মামনিকে আটক করে পুলিশ। কী ভাবে শিশুটির মৃত্যু হলো, তা জানতে মামনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
FAQ
কোথায় সাড়ে তিন মাসের শিশুর দেহ উদ্ধার হয়েছে?
পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কুরম্ব গ্রামের একটি পুকুর থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়েছে।
কবে এই ঘটনা ঘটেছে?
শনিবার গভীর রাতে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তার দেহ উদ্ধার হয়।
শিশুটির মাকে কেন আটক করেছে পুলিশ?
শিশুটির দাদু মঙ্গলকোট থানায় তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
শিশুটির মৃত্যুর কারণ কী?
মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্ত করছে কোন থানা?
মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।