
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সঙ্গে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার বাগ্বিতণ্ডার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সংসদ সদস্যের সঙ্গে থানায় যাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সরাইল থানায় জিডিটি করা হয়। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া।
ওসি বলেন, ওই দিন থানায় যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকদের দাবি, কয়েক দিন ধরে সংসদ সদস্যের সঙ্গে ওসির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন ফোন করলেও ওসি সাড়া দিতেন না। তাঁদের ফোনও ধরতেন না তিনি। এমনকি নিরাপত্তা চেয়েও সংসদ সদস্য তা পাননি বলে তাঁদের অভিযোগ।
এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নেতা-কর্মীদের নিয়ে সরাইল থানায় ওসির কক্ষে যান রুমিন ফারহানা। সেখানে সংসদ সদস্য ও তাঁর সঙ্গে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
এ ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া তিনটি ভিডিওর একটির দৈর্ঘ্য ৭ মিনিট ৮ সেকেন্ড, দ্বিতীয়টির ৫৭ সেকেন্ড এবং তৃতীয়টির ২ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।
ঘটনা সম্পর্কে রুমিন ফারহানা বলেন, ওসির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সেসব বিষয়ে কথা বলতেই তিনি থানায় গিয়েছিলেন। এ সময় অভিযোগের একটি তালিকাও নিয়ে যান তিনি।
রুমিন ফারহানার ভাষ্য, দুই পাতার ওই তালিকায় বিভিন্ন তারিখে সংঘটিত অপরাধের বিবরণ ছিল। তবে ওসি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি এবং সন্তোষজনক জবাবও দিতে পারেননি।
এদিকে ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন।
অর্থসূচক/
The post রুমিন ফারহানার সঙ্গে সরাইল থানার ওসির বাগ্বিতণ্ডা, পুলিশের জিডি appeared first on অর্থসূচক.
