বয়স ৪৭, কিন্তু পর্দায় নিজেকে নতুন রূপে তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিতে এখনও পিছপা নন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস। কখনও পেশিবহুল যোদ্ধা, কখনও ছিপছিপে অ্যাকশন হিরো; চরিত্রের প্রয়োজনে বারবার নিজের শরীরের গড়ন বদলেছেন তিনি। জন্মদিনে তাই নতুন করে আলোচনায় অভিনেতার ফিটনেস যাত্রা।
প্রভাসের ফিটনেসের কথা উঠলেই প্রথমে মনে পড়ে এসএস রাজামৌলির ‘বাহুবলী’ ছবির কথা। অমরেন্দ্র বাহুবলীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কঠোর শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের সাহায্যে পেশিবহুল চেহারা তৈরি করেছিলেন অভিনেতা। জানা যায়, তাঁর ওজন প্রায় ৮২ কেজি থেকে বেড়ে ১০০ কেজির কাছাকাছি পৌঁছেছিল।
তবে চ্যালেঞ্জ ছিল একই ছবিতে বাবা অমরেন্দ্র বাহুবলী ও ছেলে মহেন্দ্র বাহুবলীর চরিত্রে অভিনয় করা। একদিকে প্রয়োজন ছিল চওড়া কাঁধ ও পেশিবহুল শরীর, অন্যদিকে ছেলের চরিত্রের জন্য দরকার ছিল তুলনায় ছিপছিপে, অ্যাথলেটিক গড়ন। সেই অনুযায়ী বদলেছিল তাঁর শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস।
এরপর ২০১৯ সালে ‘সাহো’ ছবির জন্য ফের নিজেকে বদলান প্রভাস। জানা যায়, এই ছবির প্রস্তুতিতে প্রায় ১০ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন তিনি। এমনকি কিছু সময় নিরামিষ খাবারও খেয়েছিলেন।
‘সালার’ ছবিতেও পেশিবহুল অবতারে নজর কেড়েছেন এই অভিনেতা। তাঁর খাদ্যাভ্যাস নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা। তবে প্রভাসের মতো কঠোর ডায়েট অনুসরণ করা সবার জন্য উপযুক্ত নয়। সুস্থ থাকতে প্রয়োজন সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম।
সব মিলিয়ে, চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে বারবার বদলে নেওয়ার ক্ষমতাই প্রভাসের ফিটনেস যাত্রাকে করেছে বিশেষ। ৪৭-এও তাঁর পর্দার উপস্থিতি ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ তুঙ্গে।
