- ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
নয়াদিল্লি: তুই কি আমার অ্যাসিস্টেন্ট হবি? যুবরাজের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। দিল্লি ক্যাপিটলেসে তিনিই আসন্ন মরশুমের প্রধান কোচ। সহকারী হিসাবে কাজ করতে আগ্রহী কিনা, যুবির কাছে তাই জানতে চাওয়া। তিনি অবশ্য এটা নিয়ে ভাবতেই চাননি। দাদা চেয়েছে যখন তখন আর ভাবাভাবি কী? দিল্লি ক্যাপিটালস ফ্র্যাঞ্চাইজির এক প্রেস বিবৃতিতে যুবি বলেছেন, ‘দাদাকে সঙ্গে সঙ্গে বলেছিলাম যে গত ২৫ বছর ধরেই তোমার অ্যাসিস্টেন্ট। ফলে সেই ভূমিকাই পালন করব। আর সত্যি বলতে দাদার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে পারব ভেবে আমি রোমাঞ্চিত।’
গত কয়েক বছর ধরে কোচ হিসেবে কাজও করেছেন যুবি। অভিষেক শর্মা, শুভমান গিলদের ব্যক্তিগত ভাবে দিয়েছেন ট্রেনিং। এই তালিকায় আছেন পাঞ্জাবের প্রভসিমরান সিংও। তবে দলগতভাবে কখনো কোচ হননি। যুবি তাই বলেছেন, ‘তিন-চার বছর ধরে এমন সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে প্লেয়ারদের নিয়ে কাজ করেছি এই সময়ে। তবে একটা দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া অন্যরকম অভিজ্ঞতা।’ সৌরভের প্রশংসা করে যুবি বলেছেন, ‘কীভাবে দলীয় আবহ ভালো রাখতে হয়, তা দাদার কাছেই শেখা। সৌরভ ক্যাপ্টেন থাকার সময়ই আমার অভিষেক। দাদা আমাদের এক তারে বেঁধে রাখত দারুণভাবে। আমরা দেশের বাইরেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারি, এই বিশ্বাসটা গেঁথে দেয় দাদা। নিজেদের উপর আস্থা রাখতে শেখায়। আমার কাছে চিরদিনই উনি বড়ো দাদার মতো।’
দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ হিসেবে কাজটা যদিও রীতিমতো চ্যালেঞ্জের হতে যাচ্ছে। কারণ, এখনও দিল্লি চ্যাম্পিয়ন হয়নি এই আসরে। ২০২১ সালে শেষবার প্রথম চারে ছিল দিল্লি। যুবি অবশ্য ইতিবাচকভাবে দেখছেন, ‘অতীতে কখনো চ্যাম্পিয়ন হয়নি মানে ভবিষ্যতেও হবে না, এমন তো নয়। আমরা এমন দল গড়ে তুলতে চাইছি যারা চোখে চোখ রেখে লড়বে, যে কোনো পরিস্থিতিতে উজাড় করে দেবে। এই পর্যায়ে সকলেরই স্কিল রয়েছে। যেমন লোকেশ রাহুল অসাধারণ ক্রিকেটার। ট্রিস্টান স্টাবসও আকর্ষণীয় ব্যাটার। সমীর রিজভি, আশুতোষ শর্মাও পাওয়ারহিটার। আমাদের শুধু সঠিক টিম কম্বিনেশন গড়তে হবে।’
