কালবেলা · খেলাধুলা
ব্যালন ডি’অরের আগে অনজে ডি’অর জিতে ইতিহাসের পাতায় এমবাপ্পে
১৯/১০/২০২৬

ক্লাব থেকে জাতীয় দল সর্বত্রই তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স অনন্য উচ্চতায়। অসাধারণ এই নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘অনজে ডি’অর’ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। ফরাসি সাময়িকী ‘অনজে মোন্দিয়াল’-এর ৫০তম বর্ষে পদার্পণ করা এই ঐতিহ্যবাহী পুরস্কারটি ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো নিজের করে নিলেন তিনি।
২০ লাখেরও বেশি ফুটবলপ্রেমীর ভোটে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। মোট ভোটের ৪৮.২ শতাংশ সংগ্রহ করে বাকি প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বহু যোজন এগিয়ে থেকে বিজয়ী হন তিনি। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা জোয়াও নেভেস পেয়েছেন ১১.৯ শতাংশ ভোট। এছাড়া ১০.৮ শতাংশ ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন খিচা কাভারেস্কাইয়া, ৯.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে লামিন ইয়ামাল এবং ৭.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে পঞ্চম স্থানে শেষ করেছেন ওসমান দেম্বেলে।
২০২৫-২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অলৌকিক পারফরম্যান্সের স্বাক্ষর রাখেন এমবাপ্পে। স্প্যানিশ লা লিগায় ২৫টি গোল করে মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতার (পিচিচি) খেতাব অর্জন করেন তিনি। কেবল ঘরোয়া লিগেই নয়, ইউরোপসেরা হওয়ার মঞ্চ চ্যাম্পিয়নস লিগেও ছড়ান সমান দ্যুতি; যেখানে তার পা থেকে আসে আরও ১৫টি গোল। ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়ালের জার্সিতে এক মৌসুমে গোলসংখ্যা ৪০-এর ঘর ছাড়িয়ে যায়।
এরপর বিশ্বমঞ্চেও এমবাপ্পের পারফরম্যান্স ছিল এককথায় অবিশ্বাস্য। ২০২৬ বিশ্বকাপের আসরে ১০টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসকে নতুন করে লেখেন তিনি। সর্বমোট ২২টি গোল করে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে আসীন হন এই ফরাসি তারকা। এর মাধ্যমে লিওনেল মেসির ২১ গোল এবং জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের ইতিহাসকে পেছনে ফেলে চূড়ায় পৌঁছান এই তারকা।
ক্যারিয়ারের প্রথম ‘অনজে ডি'অর’ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি মিশেল প্লাতিনি, জঁ-পিয়েরে প্যাপাঁ, এরিক কানতোনা, জিনেদিন জিদান, থিয়েরি অঁরি, অঁতোয়ান গ্রিজমান, করিম বেনজেমা এবং ওসমান দেম্বেলের মতো ফরাসি ফুটবল কিংবদন্তিদের অভিজাত তালিকায় যুক্ত হলেন। একই সঙ্গে দিয়েগো ম্যারাডোনা, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির রেখে যাওয়া পদচিহ্নে নিজের নাম খোদাই করলেন এই রিয়াল তারকা।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗