বাঙালির পুজোয় জনসংযোগে বুক স্টলকেই হাতিয়ার। সারা রাজ্যে দেড় হাজারের বেশি বুক স্টল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিজেপির বুক স্টলগুলোতে সাধারণত তাদের দলীয় আদর্শ, হিন্দুত্ব এবং জাতীয়তাবাদী ভাবধারা সম্পর্কিত বইয়ের চাহিদা সব চেয়ে বেশি থাকে। এবার চাহিদার কথা ভেবে বেশি করে রাখা হচ্ছে ২৫ বছরের প্রশাসক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বই। এবং ভারতীয় জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং কাশ্মীরে তাঁর অবদান সম্পর্কিত বই। তার পাশাপাশি এবার বুক স্টলগুলি থেকে বিনামূল্যে পুজোর দর্শনার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প ও সাফল্য নিয়ে তৈরি বিশেষ পুস্তিকা।
পুজোয় বুক স্টলের দায়িত্বে থাকা বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি অমিতাভ রায় জানিয়েছেন, প্রতিটা বড় পুজো মণ্ডপের সামনেই থাকবে বইয়ের স্টল। এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি বুক স্টলের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে রাজ্যে।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, সাফল্যগাথা নিয়ে থাকছে বিশেষ পুস্তিকা। আর অঙ্গ-কলিঙ্গ বিজয়ের পর এবার এসেছে বঙ্গ। এবারই শাসকদল বিজেপির আমলে বাংলায় প্রথম দূর্গাপুজো। আর সেই পুজোয় বুক স্টলে পাঁচ মাসে রাজ্য সরকার কী কী কাজ করল তা তুলে ধরতে বিশেষ পুস্তিকাও রাখছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যে কত বিনিয়োগ এসেছে, কত মানুষ সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কোন কোন সংস্কার হয়েছে, মহিলা সুরক্ষা, আর্থিক ক্ষমতায়নের মতো বিষয়গুলিতে কাজ সবিস্তার তুলে ধরা থাকবে পুজোয় বুক স্টলে থাকা বইয়ে।
পুজোয় বুক স্টলের দায়িত্বে থাকা বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি অমিতাভ রায় জানিয়েছেন, প্রতিটা বড় পুজো মণ্ডপের সামনেই থাকবে বইয়ের স্টল। এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি বুক স্টলের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে রাজ্যে। উল্লেখ্য, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। এই প্রাত্তন শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ এবং ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতার জীবনী ও চিন্তাধারা বিষয়ক বইগুলোর চাহিদা বেড়েছে। সেগুলিও বেশি করে রাখা হচ্ছে স্টলে। এ ছাড়াও থাকছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ইতিহাস, কর্মপদ্ধতি এবং তাত্ত্বিক বই। রাখা হবে রাজনৈতিক দল হিসাবে বিজেপির উত্থানের ইতিহাস। বিজেপির নেতাদের আত্মজীবনী। সুবক্তাদের সংকলন। রামমন্দির-সহ বিভিন্ন আন্দোলনের ইতিহাস। দলীয় সূত্রে খবর, জেলাভিত্তিক কমপক্ষে ১০০টি বুক স্টল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
