আখাউড়ায় মন্দিরের গ্রিল কেটে মূর্তি ও স্বর্ণালংকার চুরি
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে পিতলের মূর্তি, স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকাসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত ১১টার পর থেকে সোমবার ভোর কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে।
চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে পিতলের রাধারানীর একটি মূর্তি, গৌর-নিতাইয়ের দুটি ও গোপালের দুটি মূর্তি, কৃষ্ণমূর্তির একটি রুপার চেইন, গোপালের একটি রুপার চেইন এবং গোপালের মূর্তিতে ব্যবহৃত তিনটি স্বর্ণের অলংকার। এ ছাড়া একটি তামার বাটি, একটি কাঁসি ও চার জোড়া করতালও চুরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
মন্দিরের পুরোহিত শুকান্ত চক্রবর্তী বিপ্লব জানান, দুর্বৃত্তরা পশ্চিম পাশের গ্রিল কেটে মন্দিরে প্রবেশ করে। পরে মন্দিরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মূর্তি ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। মন্দিরের দুটি দানবাক্সও ভাঙা হয়েছে। বাক্স দুটি ছয় থেকে সাত মাস ধরে খোলা হয়নি। সেগুলোতে কত টাকা ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ বলেন, মন্দিরের উপাসনায় ব্যবহৃত মূর্তি ও মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনায় ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনা উদ্ঘাটনে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
জুটন বনিক/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
জার্মান পর্যটকের সেই ল্যাপটপ নাটোরে উদ্ধার
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নাটোর রেলস্টেশনের ওয়েটিং রুম থেকে জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ব্যাগ চুরির পাঁচ দিন পর হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নাটোর শহরের কাপুড়িয়াপট্টি এলাকায় নূর ক্লথ স্টোর থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।
আটক যুবকের নাম অন্তর কুমার(১৯)। তিনি নাটোর শহরের রসুলের মোড় এলাকার অমল কুমার সাহার ছেলে এবং ওই দোকানের কর্মচারী।
আরও পড়ুন
সদর থানার পুলিশ জানান,রবিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে লোকেশন ট্র্যাক করে ওই দোকানে যায় পুলিশ। ওই সময় দোকানটি বন্ধ করে কর্মচারী ও মালিক বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে কর্মচারী অন্তর দোকানে ল্যাপটপ রাখার তথ্য দেয়। এরপর দোকান খুলে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়।।
দোকানের মালিক আব্দুর রাজ্জাক ওই কর্মচারী ও তার পরিবারের বরাতে জানান, গত বৃহস্পতিবার অন্তরের মা-বাবা সান্তাহার মাধবদী এলাকায় অন্তরের মামার বাড়ি যাওয়ার জন্য ট্রেনে ওঠেন। ওই সময় তাদের বসার সীটের নীচে ল্যাপটপটি পান। রবিবার দুপুরে রাজশাহীতে অন্তরের বাবার চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন। বিকাল ৪ টার দিকে অন্তর বাড়িতে খেতে গেলে মা-বাবার কাছে বিস্তারিত শুনে দোকানে আসার সময় ল্যাপটপটি নিয়ে আসে। তাকে না জানিয়ে দোকানের এক জায়গায় ল্যাপটপটি রাখেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, উদ্ধার ল্যাপটপটি ওই জার্মান পর্যটকের এটা নিশ্চিত হয়েছেন তারা। বিষয়টি ওই পর্যটককে জানানো হয়েছে। অন্যান্য,সামগ্রী উদ্ধার ও ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কামাল মৃধা/অন্তরা/
আরও পড়ুন
সদরপুরে পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীর চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
ছবি:খবরের কাগজ
-->ফরিদপুরের সদরপুরে পরকীয়ার অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই নারী চিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চালিয়ে যায় দুই যুবক। এই ঘটনার ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড ও ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিযানে নামে প্রশাসন।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।
নির্যাতনের শিকার নারী ওই গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. জলিল মোল্যা।
আরও পড়ুন
ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারীকে একটি চেয়ারে বসিয়ে নির্যাতন করা হয়। এ সময় কালো টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক হাত টেনে ধরে রাখেন। চেক টি-শার্ট পরিহিত অপর আরেক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে এবরোথেবরোভাবে চুল কাটতে থাকেন।
এ সময় ওই নারী চিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চলতে থাকে। ভিডিওর শেষের দিকে দুজনেই ওই নারীর মুখে থাপ্পর দিতে থাকেন।
স্থানীয় সুত্রে জানায়, নির্যাতনকারী দুই যুবকের মধ্যে রয়েছে প্রতিবেশী ইউসুফ বেপারীর নাতি (মেয়ের ছেলে) সুমন হোসেন ও জয় হোসেন। অপরদিকে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাতেই পরকীয়া প্রেমিকসহ ওই নারীকে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। তখন মারধরও করা হয় দুজনকে।
স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায়, ওই নারী শনিবার (১০ অক্টোবর) বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন। শনিবার রাতে তার কক্ষ থেকে এক যুবকসহ আটক করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় ওই যুবক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা আটক করেন। পরে তাদের দিনভর আটকে রেখে বিকেলে ওই নারীর চুল কেটে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ খবরের কাগজকে বলেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করতে শুরু করেছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, কেউ অপরাধ করলে তার জন্য আইন রয়েছে, আইন হাতে তুলে নেওয়া কখনও কাম্য নয়, এটি অবশ্যই আইনবিরোধী কাজ করা হয়েছে।
এনকেবি নয়ন/অলি/
আরও পড়ুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাগানে মিলল ৩ বালতি ককটেল
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহারাজপুরে মাটির নিচে তিন বালতিতে পুঁতে রাখা ১৭টি হাতবোমা বা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মুন্সি মণ্ডল টোলা এলাকার একরামুল হকের লেবুর বাগানে মাটির কয়েক হাত নিচে পুঁতে রাখা এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লেবুবাগানে লাকড়ি ও শুকনো পাতা কুড়াতে গিয়ে এক নারী তিনটি মাটির গর্ত ভরাট দেখে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা এসে নতুন গর্তের মধ্যে বালতির উপরে থাকা পলিথিন দেখতে পেয়ে হাতবোমা বা ককটেল সন্দেহ করে পুলিশকে জানায়। পরে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত ওই এলাকা ঘিরে রাখে পুলিশ। রাতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনটি বালতিতে থাকা এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জেরনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, তিনটি বালতি উদ্ধার করে এসআরবির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। তারা সরেজমিনে এসে রাতে তিনটি বালতিতে থাকা ১৭টি ককটেল নিষ্ক্রিয় করে।
এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ, গত ২ অক্টোবর একই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিজেদের হাতে থাকা ককটেল বিস্ফোরণে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওদুদ মহরিলের দুই সমর্থক আহত হয়। এ সময় আরও ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার (১১ অক্টোবর) উদ্ধার ককটেলগুলোও ওদুদ মহরিলের হতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
আসাদুল্লাহ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
তাজমিনের কক্সবাজারে হোটেলে থাকাসহ বিস্তারিত জানায় প্রেমিক রিয়াজ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে
-->কুমিল্লার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যাকাণ্ডের আগে কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে একটি আবাসিক হোটেলে রিয়াজ উদ্দিন নামের এক যুবকের সঙ্গে এক রাত অবস্থান করেছিল। হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম লেখা হয় ‘তানজু আক্তার’, বয়স ১৮ বছর; পরিচয় দেওয়া হয় রিয়াজের স্ত্রী হিসেবে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে তাদের একসঙ্গে আসা-যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে তারা কুটুমবাড়ি সড়কের শেষ মাথার একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন। পরদিন বেলা ১১টার দিকে হোটেল ছাড়েন। ফুটেজে তাজমিনকে লাল জামা পরা অবস্থায় দেখা যায়, যা কুমিল্লায় উদ্ধার হওয়া তার মরদেহের পরনের জামার সঙ্গে মিলে যায়।
গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় রিয়াজ উদ্দিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তার দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাজমিনের সঙ্গে পরিচয় হয়।
আরও পড়ুন
রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘তাজমিনের সঙ্গে প্রায় পাঁচ মাস আগে ইনস্টাগ্রামে আমার পরিচয় হয়। এরপর নিয়মিত কথা হতো। গত ৪ অক্টোবর হাতঘড়ি নিয়ে মায়ের সঙ্গে ঝগড়ার পর সে বাড়ি ছেড়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়। পরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসার জন্য বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ৬ অক্টোবর কক্সবাজারে আসার পর আমরা কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কক্ষ ভাড়া নিই। সেখানে এক রাত থাকার পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে হোটেল ছেড়ে দিই। পরে বিকেলে ৯০০ টাকা দিয়ে তার কুমিল্লাগামী আইকনিক এক্সপ্রেস বাসের টিকিট কেটে দিই। কুমিল্লায় নেমে বাড়ি যাওয়ার জন্য তাকে আরও ৫০০ টাকা দিই।’
রিয়াজ বলেন, ‘কুমিল্লায় ফেরার পথে তাজমিনের সঙ্গে আমার মোবাইল ফোনে কথা হয়। এ সময় সে অটোরিকশাচালকের পরিচয় ও বিস্তারিত জানায়। রাত দেড়টার দিকে তার লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর যোগাযোগ করতে পারিনি। পরদিন টেলিভিশনে তার ধর্ষণ ও হত্যার খবর জানতে পেরে হতবাক হয়ে যাই। আমি কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে প্রায় তিন বছর ধরে চাকরি করছি।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে বাড়ি ফিরছিল তাজমিন। চালক সুমন মিয়া (৩৫) তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে জানায় পুলিশ। পরে তাজমিনের আইফোন নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফোনটি উদ্ধার করা হয়।
গত ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানখেতের আইলের পাশ থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
অমিয়/
