এসআইআর নিয়ে আপত্তি ও মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী দিল্লি। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি যখন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তখনই সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডেকে আসন পুনর্বিবন্যাস এবং মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশের তোরজোর শুরু করে দিল কেন্দ্রে! সূত্রের খবর, মোদি সরকার সংসদের ভিতরে প্রয়োজনীয় সংখ্যার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। সেই কারণে চলতি মাসেই বিশেষ অধিবেশন ডাকতে পারে তারা।
গত ১৭ এপ্রিল বাজেট অধিবেশনে বিল পাশ করাতে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল মোদি সরকার। লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিষয়টি কার্যকর করার লক্ষ্যে আনা সংবিধান সংশোধনী বিল, যার সঙ্গে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের (ডিলিমিটেশন) বিষয়টিও জড়িত, নিম্নকক্ষে তা প্রয়োজনীয় সমর্থন পায়নি।
কিন্তু রাজনৈতিক প্রেক্ষপট বদলে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ডিএমকে-র সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে কংগ্রেসের। এই অবস্থায় দক্ষিণের দলটির সঙ্গে কথা বলেছে শাসক দল বিজেপি। ডিএমকের ২২ সাংসদের সমর্থন মিলবে বলেই আশাবাদী তারা। উল্লেখ্য, অতীতে আসন পুনর্বিন্যাস বিলের কঠোর বিরোধিতা করেছিল ডিএমকে। যদিও পরবর্তীকালে তারা ইন্ডিয়া জোট থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। সূত্রের আরও দাবি, ডিএমকে ছাড়াও কয়েকটি তুলনায় ছোট দলের মৌখিক সমর্থন আদায় করেছে বিজেপি।
বিশেষ অধিবেশনের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২৬-২৭ অক্টোবর সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বাদশ ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে। মনে করা হচ্ছে, বিশেষ অধিবেশনের এক সপ্তাহ আগে দিনক্ষণ জানাতে পারে কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের বক্তব্য, অধিবেশন ডেকে চমক দিয়ে চাইছে বিজেপি। আদৌ প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারবে না তারা। এবারও দুটি পাশ করার চেষ্টায় জল ঢাল বিরোধী দলগুলি।
