প্রতীকী ছবি।ছবি সৌজন্যে: AI
Published on
:
2 min read
পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) ইংরেজি স্টেনোগ্রাফার পদে ২৬৬ জনকে নিয়োগ করবে। মাধ্যমিক পাশ করা প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কম্পিউটার ও ইংরেজি টাইপিংয়ের দক্ষতা থাকলে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ১৮ অক্টোবর থেকে। আবেদন করার শেষ তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩টে ৩০ মিনিট পর্যন্ত। নির্বাচিত প্রার্থীরা পে লেভেল ৯ অনুযায়ী মাসে ২৮,৯০০ থেকে ৭৪,৫০০ টাকা বেতন পাবেন। এর সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য ভাতাও মিলতে পারে।
কতগুলি পদ রয়েছে?
মোট ২৬৬টি পদের মধ্যে ১৪৬টি Schedule A এবং ১২০টি Schedule B-তে রয়েছে। এই পদগুলি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও অফিসে ইংরেজি স্টেনোগ্রাফার (বেসিক গ্রেড) হিসেবে কাজের জন্য। এই নিয়োগের মাধ্যমে পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্যাডারের পদও পূরণ করা হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়স
আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। পাশাপাশি কম্পিউটার চালানোর প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে। কম্পিউটারে ইংরেজি টাইপ করার গতি হতে হবে মিনিটে অন্তত ৩০টি শব্দ।
বয়স হতে হবে ১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ১৮ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ সাধারণ নিয়মে জন্মতারিখ ২ জানুয়ারি ১৯৮১ থেকে ১ জানুয়ারি ২০০৭-এর মধ্যে হতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের SC/ST প্রার্থীরা বয়সে ৫ বছর এবং OBC-র নন-ক্রিমি লেয়ার প্রার্থীরা ৩ বছরের ছাড় পাবেন। বেঞ্চমার্ক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিল হতে পারে। রাজ্য সরকারের অধীনে কর্মরত স্থায়ী Schedule B স্টেনোগ্রাফার, টাইপিস্ট, স্টেনো-টাইপিস্ট এবং ক্লার্ক-কাম-টাইপিস্টদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা রাখা হয়নি।
বাংলা ভাষা জানা কি বাধ্যতামূলক?
প্রার্থীদের বাংলা পড়তে, লিখতে ও বলতে জানতে হবে। তবে যাঁদের মাতৃভাষা নেপালি, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। যাঁদের মাতৃভাষা বাংলা বা নেপালি নয়, তাঁদের কম্পিউটার টাইপিং পরীক্ষার সময় বাংলা ভাষার দক্ষতা যাচাই করা হতে পারে। ভারতীয় নাগরিক অথবা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত শর্তে যোগ্য অন্য প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
কী ভাবে হবে পরীক্ষা?
নিয়োগের পরীক্ষায় মোট ৬০০ নম্বরের তিনটি পেপার রয়েছে।
- প্রথম পেপার— General English: ১০০ নম্বর।
- দ্বিতীয় পেপার— Dictation and Transcription: ৪০০ নম্বর। অর্থাৎ বলে দেওয়া ইংরেজি বক্তব্য শুনে লিখতে হবে এবং পরে তা টাইপ করতে হবে।
- তৃতীয় পেপার— Computer Typing: ১০০ নম্বর।
প্রথম পেপারের ফলের ভিত্তিতে বাছাই করা প্রার্থীদের পরের দুটি পেপারে বসার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনটি পেপারের মোট নম্বরের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হবে। শুধু প্রথম পেপারে পাশ করলেই হবে না। তার নম্বরও চূড়ান্ত ফলের সঙ্গে যোগ হবে। এর পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রার্থীর পরিচয় ও পূর্ববর্তী তথ্য যাচাই করা হবে।
কী ভাবে আবেদন করবেন?
প্রথমে WBPSC-র সরকারি ওয়েবসাইট psc.wb.gov.in-এ যেতে হবে। সেখানে বিজ্ঞপ্তি নম্বর ০৪/২০২৫ খুঁজে অনলাইন আবেদন করতে হবে। নতুন প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তার পরে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, যোগাযোগের তথ্য এবং প্রযোজ্য সংরক্ষণের বিবরণ দিতে হবে। প্রয়োজনীয় ছবি, পরিচয়পত্র ও শংসাপত্রের তথ্যও প্রস্তুত রাখতে হবে। ফি প্রযোজ্য হলে অনলাইনে জমা দিয়ে আবেদনপত্রের কপি সংরক্ষণ করতে হবে। একই প্রার্থীর একাধিক আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এতে প্রার্থীপদ বাতিল হতে পারে।
