রুয়েটের ১২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
-->পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ১২ শিক্ষার্থীকে আগামী দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের যেসব পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে, সেসব পরীক্ষাও তাদের জন্য বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সভায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ সিরিজের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের একজন করে, ২২ সিরিজের যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন ও পুরকৌশল বিভাগের দুইজন, ২৪ সিরিজের পুরকৌশল বিভাগের তিনজন ও মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (এমটিই) বিভাগের একজন এবং ২৫ সিরিজের পুরকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের একজন করে শিক্ষার্থী এ শাস্তির আওতায় পড়েছেন। অর্থাৎ, ২১ সিরিজের দুইজন, ২২ সিরিজের দুইজন, ২৪ সিরিজের পাঁচজন এবং ২৫ সিরিজের তিনজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গৃহীত সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। ২১ সিরিজের দুই শিক্ষার্থীর ৪র্থ বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা, ২২ সিরিজের দুই শিক্ষার্থীর ৩য় বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা, ২৪ সিরিজের পাঁচ শিক্ষার্থীর ১ম বর্ষ ব্যাকলগ পরীক্ষা এবং ২৫ সিরিজের তিন শিক্ষার্থীর ১ম বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে আগামী দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কার শেষে পুনঃভর্তি হয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।
এ ছাড়া শাস্তিপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরীক্ষার সময় জব্দ করা ক্যালকুলেটর ও মোবাইল ফোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এসব সামগ্রী ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রুয়েটের ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্যসচিব ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, ‘পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিরুদ্ধে রুয়েট প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। একজন শিক্ষার্থীর জন্য একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় অসদুপায়ের মতো কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশের জন্যও উদ্বেগজনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রুয়েটে ব্যাকলগ ও শর্ট সেমিস্টার উভয় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাঁচটি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরও কেউ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’ এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সততার সঙ্গে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এ বছরের ২৮ এপ্রিল একই অভিযোগে আরও ৫ শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।
এনায়েত করিম/সালমান/
আরও পড়ুন
টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শারদীয় দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। আগামী ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি ও ধর্মীয় উৎসবের ছুটি মিলিয়ে এ বিরতি পাবেন তারা। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর এবং ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। এর আগে, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এবং ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা টানা ১০ দিনের ছুটি ভোগ করবেন।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কার্যক্রমেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর এবং ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় মোট ৯ দিন বন্ধ থাকবে অফিস কার্যক্রম।
তবে ছুটির সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি কার্যক্রম সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি সমন্বয়ের লক্ষ্যে আগামী ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস খোলা থাকবে।
কাউসার আহমেদ/সালমান/
আরও পড়ুন
জাককানইবিতে ‘Spark Hunt 3.0’ অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ক্লাবের উদ্যোগে স্পার্ক হান্ট-৩.০ নামে সার্কিট অ্যান্ড সিমুলেশন প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
ইইই ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আলী আজগর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আলী আজগর, ইইই ক্লাবের সভাপতি মো. লুৎফুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক শরিফ আহম্মেদসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিযোগীরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা তাদের দিকনির্দেশনা, অনুপ্রেরণা ও উৎসাহমূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
ইইই ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের সার্কিট কনটেস্ট ও ম্যাটল্যাব সিমুলেশন কনটেস্ট আয়োজন শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা, সার্কিট ডিজাইন এবং সিমুলেশন-সংক্রান্ত জ্ঞান ও সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. আলী আজগর বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে শ্রেণিকক্ষের বাইরের এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা নিজেদের চিন্তাভাবনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করার পাশাপাশি নতুন কিছু উদ্ভাবনে উৎসাহিত হবে।
প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুসন্ধিৎসা ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আমি মনে করি, এ আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্যও প্রস্তুত করবে।
ক্লাবের সভাপতি মো. লুৎফুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে আমাদের এ আয়োজন। আমরা চাই, তারা নিজেদের মেধা কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু তৈরি করুক এবং বাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা অর্জন করুক। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও দক্ষতা বিকাশে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।
তাসনিম হক/নাঈম
আরও পড়ুন
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ফল ২০২৬ সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সোমবার (১২ অক্টোবর) ফল-২০২৬ সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র - ছাত্রীদের নিয়ে তার সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য স্মৃতি শেয়ার করেন এবং চীন এর মতো উন্নত দেশের কাছ থেকে কি ধরনের অভিজ্ঞতা পেয়েছেন সে বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ শাহীন চৌধুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস পরিবেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের আন্তরিক আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহফুজুর রহমান, স্কুল অব আর্টসের ডিন ড. শাফিয়া আখতার, এবং স্কুল অব বিজনেসের ডিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. ইকবাল আজিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ভিস্তা ইলেকট্রনিকস পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক লোকমান হোসেন আকাশ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং শপথ গ্রহণ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ ইবনে আনোয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিবে হুয়াওয়ে
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর উদ্ভাবন খাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে জায়গা করে নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি হুয়াওয়ে ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির (ইডব্লিউইউ) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এর মাধ্যমে ইডব্লিউইউতে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমির কার্যক্রম শুরু হবে।
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মা বেন এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ইডব্লিউইউর মূল ক্যাম্পাসে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ইডব্লিউইউর বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সলিউশন ও ইকুইপমেন্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হুয়াওয়ে আইসিটি ও এআই ক্ষেত্রে বিশ্বমানের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে।
এই প্রতিষ্ঠান ইডব্লিউইউর ক্যাম্পাসে আইসিটি একাডেমি চালু করতে যাচ্ছে, যা আনন্দের বিষয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সেরাদের কাছ থেকে এআই বিষয়ে শেখার সুযোগ পাবেন।
এই সুযোগ ইডব্লিউইউর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা গড়ে তুলতে এবং এআই পেশাক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের এই উদ্যোগ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মা বেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে হুয়াওয়ের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ জন্য প্রয়োজন এমন জনবল, যারা এ খাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ। এ কারণেই হুয়াওয়ে ইডব্লিউইউর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিও বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেছে এবং দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এভাবেই শিল্প ও শিক্ষাখাত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে বাংলাদেশের তরুণদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে চায় হুয়াওয়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে বাংলাদেশের জন্য’ হুয়াওয়ে কাজ করে চলেছে। হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় ইডব্লিউইউর অধ্যাপকেরা কোর্স মডিউল, শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন এবং তাঁদের অগ্রগতি তত্ত্বাবধান ও পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের অনলাইন এআই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিনা মূল্যে অংশ নিতে পারবেন এবং নিজেদের সুবিধামতো কোর্সগুলো সম্পন্ন করবেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে রয়েছে বেসিক ম্যাথ, ওভারভিউ অব এআই, ইন্টেলিজেন্ট কালচারাল কম্পিউটিং, এআই প্রিন্সিপলস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস, এআই টেকনোলজি অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস এবং এআই প্রসেসর ডেভেলপমেন্ট কোর্স।
বিজ্ঞপ্তি/
