নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বাস ও ট্রাকের অজ্ঞাতপরিচয় চালকদের আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বড়াইগ্রাম থানায় মামলাটি করেন বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আকবর হোসেন।
এর আগে গতকাল ভোরে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ট্রাকের চালক আবুল কালাম আজাদ (৩২) ও বাসের সুপারভাইজার সোহেল রানা (৩৬) আছেন। দুর্ঘটনার সময় সোহেল রানা বাসটি চালাচ্ছিলেন।
বনপাড়া হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোরে বরগুনা থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি স্পেশাল পরিবহনের বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে রাতে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলায় দুই পরিবহনের অজ্ঞাতপরিচয় চালকদের আসামি করা হয়েছে। হাইওয়ে থানা মামলাটি তদন্ত করবে।
স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সন্ধ্যার মধ্যেই সব মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, হতাহত ব্যক্তিরা সবাই ভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তাঁরা কেউ বাদী হয়ে মামলা করার জন্য থানায় আসেননি। পরে পুলিশ বাদী হয়ে সড়ক নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে। পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে। তদন্তে আসামি শনাক্ত হলে এবং বেঁচে থাকলে অবশ্যই তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতে মামলাটি নিবন্ধিত হয়েছে। হাইওয়ে থানা মামলাটি তদন্ত করবে।