লিপজিগকে ৪-১ গোলে হারাল রিয়াল
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইউরোপীয় ফুটবলে আবারও দাপট দেখাল রিয়াল মাদ্রিদ। আক্রমণাত্মক ফুটবল আর দুর্দান্ত গোলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জমজমাট লড়াইয়ে আরবি লিপজিগকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বড় জয় তুলে নিল লস ব্লাঙ্কোসরা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকে রিয়াল। ৬১ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে। একের পর এক আক্রমণে লিপজিগের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বার্নার্দো সিলভা। তার গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমেনি। ৫২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আরদা গুলের। দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান তিনি। এরপর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল।
আরও পড়ুন
৮৩ মিনিটে জালের দেখা পান ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে। তার নিখুঁত শটে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন রিয়াল সমর্থকেরা। দুই মিনিট পর একটি গোল শোধ করে লিপজিগ। দলের হয়ে গোল করেন বদলি খেলোয়াড় টিডিয়াম গোমিস।
তবে শেষ হাসি হাসে রিয়ালই। ৮৭ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেন ইয়ান দিওমান্দে। তাতে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় স্প্যানিশ ক্লাবটির।
আরও পড়ুন
পুরো ম্যাচেই বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ১৮টি শটের মধ্যে ৮টি ছিল লক্ষ্যে। সব মিলিয়ে দাপুটে পারফরম্যান্সে বড় জয় তুলে নেয় লস ব্লাঙ্কোসরা।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
আফগানিস্তানের কাছে হেরে বাংলাদেশের ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->একজনের লড়াইয়ে আর কত দূর! ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছিল, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে গেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। তার ৭০ রানের দৃঢ়তায়ও বড় বিপর্যয় এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রশিদ খানের ঘূর্ণি আর আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। জবাবে ৩৫.৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। পায় ৭ উইকেটের বড় জয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়ে টাইগাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা দ্রুতই ফিকে হয়ে যায়। তানজিদ হাসান ১, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ ও অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয় শূন্য রানে ফিরে গেলে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
এক প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যে দলের হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন। ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে ৯৬ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭০ রান করেন এই ওপেনার। তাকে সঙ্গ দিয়ে সাইফ হাসান করেন ৮২ বলে ৪১ রান। তবে তাদের ব্যাটিংয়ের পরও দলীয় সংগ্রহে গতি আসেনি। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রশিদ খান। ৩১ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন তিনি। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিন আহমেদজাই শিকার করেন দুটি করে উইকেট।
আরও পড়ুন
১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানও শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৬ এবং সিদ্দিকুল্লাহ অটল ৪ রান করে ফিরলে জয়ের পথে সাময়িক বাধা তৈরি হয়। তবে এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহর জুটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।
ইব্রাহিম জাদরান ৪৮ বলে ৩৪ রান করে আউট হলেও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান রহমত শাহ। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ৯০ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৬৭ রান করেন। অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদী অপরাজিত ৩৬ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
আরও পড়ুন
দুজনের দৃঢ়তায় ৩৫.৩ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ দুটি এবং মুস্তাফিজুর রহমান একটি উইকেট নেন।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন বিলীন!
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ব্যাটিং ব্যর্থতার আরেকটি নির্লজ্জ প্রদশর্ণী দেখিয়ে তিন জাতি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ধুলিসাৎ হওয়ার পথে। ফাইনাল খেলতে হলে আগে ব্যাট করলে ৪১ রানে জিততে হবে। টস জেতায় বাংলাদেশ দল আর রান তাড়ায় গিয়ে ওভারের জটিল হিসেবে না পড়ে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় ইনিংস গড়ার স্বপ্ন দেখেছিল। সেখানে হিতে বিপরীত হয়েছে। ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানে অলআউট টাইগাররা।
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে অলআউট করে ৪১ রানে ম্যাচ জিতে ফাইনালে খেলা স্বপ্নই হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের ইনিংসের ১৬০ রানের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ রানই এসেছে পারভেঝ ইমন ও সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে। ইমন ৭০ ও সাইফ ৪১ রান করেন। বাকি সবাই মিলে করেন মাত্র ৪৯ রান। ২৪৮ বলের মাঝে এই দুই জন খেলেন ১৭৮ বল। এতেই বুঝা যায় বাংলাদেশের ব্যাটাররা কী পরিমাণ ধুকেছেন।
৪১ রান ম্যাচ জেতার লক্ষ্যে একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। টস জেতায় আগে বড় ইনিংস গড়ার প্রত্যয়ে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু চিরাচরিত ব্যাটিং ব্যর্থতা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি টাইগাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয় শুরু হয়। ফর্মে থাকা ওপেনার তানজিদ তামিম (১) রানের খাতা খুলে আউট হলেও সৌম্যসরকার গোল্ডেন ডাক মারেন। ২টি উইকেটই নেন ইয়ামিন আহমাদজাই।
আরও পড়ুন
বিপর্যয় আরও ঘনিভুত হয় আজমতউল্লাহ ওমরজাইয় এক ওভারে জোড়া আঘাত হানলে। তিনি ফিরিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়কে (০)। ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ৪১ রানে ম্যাচ জেতার স্বপ্ন তখন দূর আকাশে পরিণত হয়েছে। ৪১ রানে অলআউট হয় কি না এ রকম শঙ্কা প্রকাশ করে কেউ কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। তবে সেটি আর হয়নি। ওপেনার সাইফ হাসানের সঙ্গে এসে একাদশে সুযোগ পাওয়া পারভেজ ইমনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২৪.৩ ওভারে ৯৩ রান। সাইফ ৪১ রান করে আউট হলেও পারভেজ ৭৫ বলে ক্যারিয়ারের ১৫তম হাফ সেঞ্চুরি করে আউট হন ৭০ রানে। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে দলীয় ১৫৬ রানে তিনি আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ১৬০ রানে অলআউট হয়।
রশিদ খান ৪১ রানে নেন ৪ উইকেট। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিন আহমাদজাই ২টি করে উইকেট নেন।
আরও পড়ুন
পলাশ/এএফ
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
ইলেকট্রনিক টাইমিংয়ে ফিরছে অ্যাথলেটিকস, এসএ গেমসে লক্ষ্য ১০ পদক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
-->দীর্ঘদিন অচল থাকার পর আবারও সচল হয়েছে অ্যাথলেটিকসের ইলেকট্রনিক ফটো-ফিনিশ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রকৌশলীদের সহায়তায় বিনা খরচে মেরামত করা হয়েছে যন্ত্রটি।
আগামী শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ট্র্যাকের ইভেন্টগুলোতে ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক টাইমিং। প্রতিযোগিতার ফলাফলও আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।
২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনের এই প্রতিযোগিতা। এতে ৫৭টি সংস্থার ৫৬৫ অ্যাথলেট অংশ নেবেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন।
আরও পড়ুন
প্রতিযোগিতায় পুরুষদের ২২টি ও নারীদের ১৮টিসহ মোট ৪০টি ইভেন্ট থাকছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৪৩১ জন, নারী ১৩৪ জন। সঙ্গে থাকবেন ১১০ জন ম্যানেজার ও কোচ। সাতটি থ্রোয়িং ইভেন্ট শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এবং ম্যারাথন শনিবার ভোরে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের জানিয়েছেন, অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নে স্থায়ী ভেন্যু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পল্টনের হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের পাশে জমি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ১৩ জেলায় প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে ফেডারেশন।
আরও পড়ুন
জাতীয় প্রতিযোগিতা শেষে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শিবিরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আলী ইমাম তপন। আসন্ন এসএ গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১০টি পদক, যার মধ্যে দুটি স্বর্ণপদকের প্রত্যাশা করছে ফেডারেশন।
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী পাবেন যথাক্রমে ৬ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা। রেকর্ড গড়লে থাকছে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার। সেরা অ্যাথলেট পাবেন একটি ১০০ সিসির বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল।
আরও পড়ুন
তোফায়েল/এএফ
আরও পড়ুন
আফগানিস্তানের কাছে বাংলাদেশের যুবাদের প্রথম হার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান যুবাদের বিপক্ষে বাংলাদেশ যুবারা সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচ জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু সে কাজটি আর করতে দেননি আফগান যুবারা। ৪৩ রানে ম্যাচ জিতে তারা সিরিজে ফিরে এসেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ওমানের আল আমিরাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আফগানিস্তান ২৩৭ রানে অলআউট হয়। রান তাড়ায় নেমে বাংলাদেশ সব উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান করে।
টস জিতে ব্যাট করতে নামা আফগানদের ইনিংসের শুরুতেই ৫০ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে চাপে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। কিন্তু চতুর্থ উইকেট জুটিতে ওপেনার সোবহান জাখিল ও শাহ ফয়সাল রাহিমী ২৪ ওভারে ১০৫ রান যোগ করে বিপদ কাটিয়ে দলের ভিত্তি মজবুত করেন। সোবহান জাখিল ৮১ ও শাহ ফয়সাল রাহিমী ৮০ রান করে আউট হন। এই দুজন ছাড়া দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করেন অধিনায়ক সোহেল খান (২৪)। বাংলাদেশের হয়ে আল আমিন হোসেন ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন।
আরও পড়ুন
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ জয়ের পথেই ছিল। আবদুল্লাহ আল মুহিরের ৬১ ও কাউসার আহমেদের ৬৪ রানে একপর্যায়ে দলের রান ছিল ১ উইকেটে ১১৩। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা ১৮.৪ ওভারে ১০৭ রান যোগ করেন। আবদুল্লাহ আউট হওয়ার পর কাউসার ও আল-আমিন হোসেন রনি দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৪৩ রান যোগ করার পর কাউসার আউট হন। এরপরই বাংলাদেশের ইনিংসে মড়ক লাগে। শেষ ৭ উইকেট মাত্র ৩৭ রানে পতন ঘটলে বাংলাদেশ ৩৭.২ ওভারে ১৯৪ রানে অলআউট হয়।
আফগানদের পক্ষে ইমরান মোহাম্মদ ৩টি এবং সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মদ ২টি করে উইকেট নেন। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল।
আরও পড়ুন
পলাশ/এএফ
আরও পড়ুন
