ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সহিংস বিক্ষোভের পর জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপসাগরীয় দেশগুলো সফর শুরু করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) শুরু হওয়া এ সফরের লক্ষ্য তেল ও ডিজেলের সরবরাহ নিশ্চিত করে জ্বালানির দাম কমাতে সহায়তা করা।
রোববার রাতে দেওয়া এক ভাষণে ফ্রান্সে ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ সহিংসতার নিন্দা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর সোমবার তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেকের সদস্য কুয়েতে পৌঁছান ম্যাক্রোঁ। সেখানে তাকে স্বাগত জানান দেশটির আমির শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ।
বিজ্ঞাপন
বুধবারের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতারও সফর করবেন তিনি। উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করাই এ সফরের লক্ষ্য। গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের কারণে অঞ্চলটিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ফ্রান্সে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থায় ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন ম্যাক্রোঁ। তবে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। কয়েক বছরের মধ্যে ফ্রান্সের সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনাগুলোর একটিতে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন শহরের পৌর ভবন ও দোকানপাটে লুটপাট চালানো হয় এবং কোথাও কোথাও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
কুয়েতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ম্যাক্রোঁ বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্যই এ সফর প্রয়োজন। বিক্ষোভকারীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ম্যাক্রোঁর এ সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ বেঞ্জামিন মোরেল। তার মতে, এ সফর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে—এমন ধারণা দিতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি জনসাধারণের উদ্বেগ থেকে সরকারের বিচ্ছিন্নতা এবং একধরনের নেতৃত্বের শূন্যতার ইঙ্গিতও দিতে পারে।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
