Published on
:
2 min read
কোচবিহার জেলাপরিষদের সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন হিমানি ইশোর। ১৯ জনের সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হলেন বুধবার। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, হিমানি এখন কোন দলে রয়েছেন, তা নিয়ে বার বার প্রশ্ন করা হলেও কৌশলে সে জবাব এড়িয়ে যান। জোড়াফুলের টিকিটে গত পুরভোটে জয়ী হিমানির জবাব, তিনি জনপ্রতিনিধি। মানুষের কাজ করতে চান। এর বাইরে আর কোনও পরিচয় নেই।
জেলাপরিষদের প্রেক্ষাগৃহে ২০ জন সদস্যর উপস্থিতিতে বুধবার হিমানি ইশোর সভাধিপতি নির্বাচিত হন। ৩৪ আসনের এই জেলাপরিষদে গত পুরভোটে ৩২টি আসন জেতে তৃণমূল। ২টিতে জয়ী হয় বিজেপি। এতদিন সভাধিপতি পদে ছিলেন সুমিতা বর্মন, আব্দুল জলিল আহমেদ ছিলেন সহ-সভাধিপতি। পালাবদলের পরে আস্থা ভোটে দু’জনকেই পদ ছাড়তে হয়। এর পরে এ দিন নতুন সভাধিপতি হলেন হিমানি।
হিমানি ইশোর বলেন, ‘আমি কোনও পক্ষে নেই। আমি জনপ্রতিনিধি। আমি আগে কর্মাধ্যক্ষ ছিলাম। এ বার সভাধিপতি হলাম। আমাকে সকলে সমর্থন করেছেন বলেই আমি আজ এই পদে বসলাম। এখন মানুষের কাজ করতে চাই। মানুষ কোন দলের বোর্ড বলবে সেটা আমি জানি না। আমি জনপ্রতিনিধি। মানুষের জন্য কাজ করব, ব্যস এটুকুই জানি।’
এ বিষয়ে বিজেপির কী প্রতিক্রিয়া? বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মনের কথায়, ‘এর আগে তৃণমূল ছিল। এ বারও ওরাই বোর্ড গঠন করেছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের সমস্ত কাজ বন্ধ হয়েছিল। আগের সভাধিপতি-সহ সভাধিপতি দীর্ঘদিন অফিসে যাচ্ছিলেন না। সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছিল। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই নতুন বোর্ড হলো। আমরা সেই বোর্ডে কোনও হস্তক্ষেপ করিনি।’
তবে কি নতুন সভাধিপতিকে বিজেপি সমর্থন করছে? অভিজিতের বক্তব্য, ‘আমাদের দু’জন জেলা পরিষদ সদস্য কিন্তু যাননি। ফলে এ কথার কোনও যুক্তি নেই।’
অতিরিক্ত জেলাশাসক সজল তামাং জানান, এ দিন সভাধিপতি নির্বাচনে ২০ জন উপস্থিত ছিলেন। একজনের নামেরই প্রস্তাব আসে। হিমানি ইশোরের নাম। সকলেই সেই নামে সমর্থন জানিয়েছেন। আগের বোর্ডই রইল। নতুন সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন। এর পরে সহ-সভাধিপতির নামও নির্বাচিত হবে।