কীটনাশক আমদানি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা পর্যালোচনা করবে সরকার
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
জনগণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে কীটনাশক আমদানি, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে এমন অনেক কীটনাশক আমদানি ও বাজারজাত করা হচ্ছে, যেগুলো বিশ্বের বহু দেশে ব্যবহার করা হয় না। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে কীটনাশক আমদানির নীতিমালা ও পরীক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করেছে।
তিনি বলেন, শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো নয়, উৎপাদিত খাদ্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত করাও জরুরি। কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি জ্ঞানের অভাবে অনেক কৃষক কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারে সঠিক মাত্রা অনুসরণ করতে পারেন না। এ জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতির সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সুষম সার প্রয়োগ ও উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণ করতে হবে।
পোলট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কাঁঠাল ও আনারসসহ সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যের মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

