জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দাবি এবং ‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে পথে নেমেছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’।সোমবার তারা ‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচি করে। সেখানেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়িয়ে গলা ফাটাতে দেখা এক তরুণীকে। তাঁর নাম জান্নাত বিষ্ণোই। শুধু তাই নয়, ট্রাকের মাথায় চড়ে স্লোগানও দেন তিনি।
আত্মবিশ্বাস, ভিন্ন প্রতিবাদী ভঙ্গি এবং আগুন ঝরানো স্লোগানের কারণে প্রতিবাদের মঞ্চে নজর কেড়েছেন জান্নাত। কিন্তু তাঁর পরিচয় কী? জানা গিয়েছে, জান্নাত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি কলেজের কলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। পাশাপাশি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (ডুসুম)-এর একজন নির্বাহী কাউন্সিলর। এছাড়া তিনি কংগ্রেসে ছাত্র সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ (এনএসইউআই)-রও সদস্য। জান্নাতের বাড়ি রাজস্থানে। বিগত কয়েকবছর ধরে তিনি দিল্লিতে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ক্যাম্পাসে মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে তিনি বারবার গর্জে উঠেছেন। তিনি পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্দোলনেও যোগ দিয়েছেন। সোমবার বিরোধীদের ‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন বহু মানুষ। ভিড় বাড়তে থাকায় রাহুল একটি ট্রাকে উঠে পড়ে। সেখানে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বামনেত্রী নেহা বোরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জান্নাত। সাদা টি-শার্টে রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েই গলা ফাটাতে দেখা যায় তাঁকে।
রাজপথে প্রবল জনস্রোতের কারণে সোমবার সময় মতো (বিকেল সাড়ে চারটের মধ্যে) সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে পারেননি রাহুল গান্ধী। যদিও তাঁর হয়ে সর্বোচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেন আইনজীবী এস প্রসন্ন। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বিশাল পদযাত্রায় রাহুল, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরজেডি-র তেজস্বী যাদব ছাড়াও ছিলেন একাধিক বাম নেতা।
