তজুমদ্দিন প্রতিনিধি।।
ভোলার তজুমদ্দিনে ডাইয়ারপাড় কমিউনিটি ক্লিনিকে দুই মাসের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের দাবিতে এক তরুণীর অনশনে বসার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকেরর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগও উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ডাইয়ারপাড় কমিউনিটি ক্লিনিকের হেল্থ প্রোভাইডার মামুনুর রশিদ সবুজ শম্ভুপুর ইউনিয়নের মুচিবাড়ির কোনার (ছদ্ম নাম) আমেনাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুইমাস ধরে পরকীয়া প্রেম করে শারীরিক সম্পর্ক করে। লালমোহন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে ঘর ভাড়া রেখে
প্রতারনার শিকার যুবতী হাসপালে বসে সাংবাদিকদের জানান, গত দুইমাস আগে ডাইয়ারপাড় কমিউনিটি ক্লিনিকের হেল্থ প্রোভাইডার মামুনুর রশিদ সবুজ আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। লালমোহন হামীম স্কুলের পাশে ঘড়ভাড়া করে আমাকে নিয়ে থাকতেন। কিন্তু সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিয়ের জন্য চাপ দিলে সবুজ ক্লিনিকে রেখে পালিয়ে যায়।
![]()
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কমিউনিটি হেল্থ প্রোভাইডার মামুনুর রশিদ সবুজের ব্যবহৃত ০১৭১৪৮৫৭৭১৮ নম্বরে একাধিক বার ফোন দিলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, প্রেম ঘটিত কারণে এক যুবক ও যুবতীর মধ্যে ধস্তাধস্তি ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহাবুব কবির বলেন, অনশনরত যুবতী আমাকে ঘটনাটি ফোনে জানালে আমি তাকে পারিবারিকভাবে সমাধানের জন্য বলি অন্যথায় তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে পরামর্শ দেই। কিন্তু তিনি কোন লিখিত অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ ছাড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই।
উল্লেখ্য মামুনুর রশিদ সবুজ এর আগেও বরিশালে একটি খ্রিষ্টান মেয়েসহ দুইটি বিয়ে করেন। দুই ঘরে তার তিন সন্তান রয়েছে বলে স্থানীয় একটি সুত্র জানিয়েছে। অন্যদিকে অনশনে বসা যুবতীর ইতিপূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছে বলেও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়।
মালামাল নিয়ে অনশনে বসা যুবতীকে হামলার পর তার মালামালসহ নগদ টাকা, মোবাইল সবুজের আত্নীয়-স্বজনরা নিয়ে যায় বলেও যুবতী জানান।