নৃশংস, ভয়াবহ, মর্মান্তিক! নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বাকে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ! অত্যাচারের সময় সন্তান প্রসব কিশোরীর। তাকে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনও রকমে সদ্যোজাতকে হাসপাতালে নিয়ে যায় নির্যাতিতা। সেখানে শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হাড়হিম কাণ্ডটি ঘটেছে রাজস্থানের দৌসা জেলায়।
রাজস্থানের দৌসা জেলার বাসিন্দা কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এক বন্ধুর বাইকে করে বাড়ি থেকে হাসপাতালে যাচ্ছিল কিশোরী। অভিযোগ, সেই সময় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একদল যুবক তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়। কিশোরীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের কাছে একটি নির্জন জায়গায়। সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ধর্ষণের সময় কিশোরীর প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়। নির্জন স্থানেই কন্যাসন্তানের জন্ম দেয় সে। তখনই কিশোরীকে ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এরপরে কোনওমতে নবজাতককে কাপড়ে জড়িয়ে হাসপাতালে পৌঁছয় কিশোরী। চিকিৎসকরা সদ্যোজাতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দৌসার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই নাবালিকা।
ঘটনার পর খবর যায় দৌসার কোলওয়া থানায়। পুলিশ নাবালিকার জবানবন্দি রেকর্ড করেছে। সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। দৌসা জেলার অতিরিক্ত এসপি শংকরলাল মীনা জানিয়েছেন, “অভিযুক্তদের খোঁজে বেশ কয়েকটি দল গঠন করা হয়েছে। সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে।” সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
