২৪ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়ের তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ একাই প্রথম তিন ব্যাটারকে ফেরান। তারপর ২৭২ রানের লক্ষ্যে নেমেও সপ্তম ওভারে পঞ্চাশের কাছাকাছি রান করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৭১ রান করলেও লক্ষ্যটা তাড়া করার মতো ছিল, সেটা মেনে নিয়েই ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়।
তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারের ওপেনিং জুটি ৪৭ রানে ভেঙে যায়। পাওয়ার প্লের মধ্যে দুটি উইকেট হারানোর পর দলের ব্যাটিং স্তম্ভ নাজমুল হোসেন শান্তও তাড়াতাড়ি ক্রিজ ছাড়েন। ম্যাচে আর কারও ব্যাটে লড়াইয়ের দেখা পাওয়া যায়নি। ম্যাচ শেষে হৃদয় বললেন, ‘আসলে, আমরা দারুণ বোলিং করেছি। এখানকার পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। তাই ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা কিছু ভুল করেছি। আমাদের শুরুটা খুব ভালো হয়েছিল, কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে আমরা ভালো করতে পারিনি।’
জিম্বাবুয়েকে ২৭১ রানে থামানোর বিষয়কে বাংলাদেশি বোলারদের সফলতা হিসেবেই দেখছেন এই তারকা ব্যাটার। লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব পাওয়া হৃদয় বললেন, ‘লক্ষ্যটি তাড়া করার মতোই ছিল। যেমনটা আমি আগেই বলেছি, আমাদের বোলাররা সত্যিই খুব ভালো বোলিং করেছে। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের এই ধরনের লক্ষ্য তাড়া করার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। (রিভিউ নেওয়া প্রসঙ্গে) বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আমরা কথা বলব, তবে মাঝে মাঝে বোলার ও কিপারের ওপরও ভরসা রাখতে হয়।’
বাংলাদেশ শুরুতে হারানো ছন্দ আর ফিরে পায়নি। ৩৪তম ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয় তারা। ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতা নিয়ে হৃদয় বললেন, ‘না, এটি (ব্যাটিং) নিশ্চিতভাবেই হতাশার। এখানকার পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য খুবই ভালো। তাই আসলে আমরা কিছু বোকার মতো ভুল করেছি। আশা করি, আমরা এগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব।’
এফএইচএম
