Published on
:
1 min read
মেদিনীপুরে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু। গত বৃহস্পতিবার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ। মৃত তরুণীর নাম স্নেহা চক্রবর্তী (২৫)। তরুণীর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, স্নেহাকে খুন করা হয়েছে। একটি BMW গাড়ির কেনার জন্য তরুণীর বাড়িতে চাপ দিতেন স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ। পুলিশ স্নেহার স্বামী রণদীপ জানা ও তাঁর বাবা রতন জানাকে গ্রেপ্তার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মেদিনীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরতা ছিলেন স্নেহা। বছর খানেক আগে প্রেম করে বিয়ে হয় স্নেহা ও রণদীপের। তবে বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই সংসারে অশান্তি শুরু হয়। মেদিনীপুর শহরের যমুনা বালিতে স্নেহার শ্বশুরবাড়ি। সম্প্রতি একটি BMW গাড়ি কিনে দেওয়ার জন্য স্নেহার বাপেরবাড়িতে চাপ দেওয়া হতো বলে অভিযোগ।
স্নেহার বাবা ধ্রুব চক্রবর্তী পেশায় একজন পুলিশকর্মী। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের উপরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সম্প্রতি স্নেহার বাপের বাড়ি থেকে দশ লক্ষ টাকা আনতে চাপ দেয় রণদীপ। এই গাড়ি কেনা নিয়ে স্নেহার সঙ্গে রণদীপের প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত। গত বুধবার ওই দামি গাড়ি কিনেও আনে রণদীপ। সেদিন রাতেই স্নেহার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় বলে খবর। ধ্রুব চক্রবর্তী বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। আমার মেয়েকে ওঁরা মেরে ফেলেছে। আমি একজন পুলিশকর্মী। আমি এর বিচার চাই।’
বৃহস্পতিবার সকালে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রণদীপ জানা ও তাঁর বাবা রতন জানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
