দার্জিলিংয়ে ভোটার হেল্প ডেস্ক নির্বাচন কমিশনেরছবি: X
Published on
:
1 min read
ভোট চুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধীরা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দিল্লি। এর মধ্যে সোমবার নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে রাজ্যের একাধিক জেলায় চলল প্রচার। বসল হেল্প ডেস্কও।
এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সক্রিয় প্রচার শুরু করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ২৪টি জেলার নির্বাচনী আধিকারিকরা (DEO)। কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো, ‘ভোটার তালিকা থেকে কোনও যোগ্য ভোটার যাতে বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করা।’
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার (BLO), অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO), ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) অথবা জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এ দিন পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনি কেন্দ্রে নতুন ভোটারদের জন্য হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছিল। পাশাপাশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল আসানসোল গার্লস কলেজেও। খানাকুল–২ নম্বর ব্লক এবং দার্জিলিংয়ের পুলবাজারেও ভোটার তালিকায় নাম না থাকা যোগ্য ভোটার এবং ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সি নতুন ভোটারদের জন্য হেল্প ডেস্ক খুলেছিল কমিশন।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, SIR-এর আগে ও পরে প্রকাশিত ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখে যাঁরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ঠাঁই পাননি, তাঁদের চিহ্নিত করবেন বুথ লেভেল অফিসাররা। এর পর সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করা হবে। যোগ্য বিবেচিত হলে তাঁদের দিয়ে ফর্ম ৬ পূরণ করিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার ব্যবস্থা করবে কমিশন।
পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে এই পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই বিশেষ শিবির শুরু হয়ে গিয়েছে। সমাজের প্রান্তিক ও উপেক্ষিত অংশের মানুষদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।
