Published on
:
1 min read
এই সময়: দুর্গাপুজোর আবহে যে খবরটি শোনার অপেক্ষায় ছিল কলকাতা–সহ গোটা বাংলা, শেষ পর্যন্ত সেই খবরটি শোনালেন আলিপুর হাওয়া অফিসের আবহবিদরা। ১৪ সেপ্টেম্বর রাজস্থান দিয়ে এ বছরের মতো বর্ষার বিদায়পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছিল। ১২ সেপ্টেম্বর সেই বিদায়ের রেশ এসে পৌঁছল বাংলাতেও। আর একদিনের মধ্যেই অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর অন্তিম রেশটুকু বাংলা মাটি থেকে বিদায় নেবে বলে জানানো হয়েছে।
২০২৬–এর বর্ষা গোটা দেশের নিরিখে প্রায় ১২.৬ শতাংশ ঘাটতিতে থাকলেও এই চার মাসে কলকাতার প্রাপ্তি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি। হাওয়া অফিসের হিসেব, এ বছর উত্তরবঙ্গে বর্ষার সূত্রপাত হয়েছিল ৯ জুন। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করে ১২ জুন। তার পর থেকে চার মাসে কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭৫৮.১ মিলিমিটার। অথচ এই সময়ে শহরে স্বাভাবিক বৃষ্টির পরিমাণ ১৩৪৫.৫ মিলিমিটার। অর্থাৎ স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪১২.৬ মিলিমিটার বা প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি পেয়েছে কলকাতা। বর্ষার মরশুমে শহরের আকাশ বারবার মেঘে ঢেকেছে, নেমেছে ভারী বৃষ্টিও। তারই প্রতিফলন মিলেছে মরশুমি বৃষ্টির পরিসংখ্যানে।
অন্য দিকে, গোটা পশ্চিমবঙ্গে বর্ষার চার মাসে স্বাভাবিক গড় বৃষ্টির পরিমাণ ১০৬৭ মিলিমিটার। এ বছর রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে ১১১০ মিলিমিটার। অর্থাৎ রাজ্যেও বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে চার শতাংশ বেশি।
আবহাওয়া দপ্তরের ১২ অক্টোবরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এ দিন পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ এলাকা ছাড়াও অসম ও মেঘালয়ের কিছু অংশ এবং আরও কয়েকটি রাজ্য থেকে সরে গিয়েছে। বর্ষা বিদায়ের রেখা এ দিন ধুবড়ি ও কলকাতার উপর দিয়ে বিস্তৃত। আগামী দু’–তিন দিনে দেশের অবশিষ্ট অংশ থেকেও মৌসুমি বায়ুর বিদায় সম্পূর্ণ হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
