আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জুলাই-মার্চ) শেষে এপেক্স ট্যানারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৫ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ৫৬ পয়সা।
চামড়া খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি এপেক্স ট্যানারি লিমিটেডের পর্ষদ সভা আজ বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জুলাই-মার্চ) শেষে এপেক্স ট্যানারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৫ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১৮ টাকা ১১ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এপেক্স ট্যানারির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এপেক্স ট্যানারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৫ টাকা ৪৩ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স ট্যানারি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ১৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৮২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৮৫ পয়সায়।
এপেক্স ট্যানারির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
১৯৮৫ সালে তালিকাভুক্ত এপেক্স ট্যানারির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার। এর ৩৪ দশমিক ৮২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ দশমিক ১৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
