‘সাবধানের মার নেই’Ñ বাংলা ভাষার এই প্রবাদটি আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। সন্তানকে সাবধানে চলতে শেখাই, বিপদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিই, ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝানোর চেষ্টা করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সাবধানতার সব শিক্ষা সন্তানকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে না। পরিবার যখন উদ্বিগ্ন, মা যখন সন্তানের চলাফেরা নিয়ে শঙ্কিত, তখনো যদি একটি কিশোরীর জীবন এভাবে ঝরে যায়, তবে সেই মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের শোক নয়; এটি আমাদের পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক দায়িত্ব, নারীর নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমনের কার্যকারিতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।
কুমিল্লার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মর্মান্তিক হত্যাকা- আমাদের সামনে তেমনই এক নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুকে মাত্র ১৭ দিনের পরিচয় ও সম্পর্কের সূত্র ধরে রাজু চৌধুরী নামের এক যুবকের ডাকে কক্সবাজারে গিয়েছিল কিশোরীটি। পরে কুমিল্লায় ফিরে আসার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. সুমন মিয়া নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
একটি কিশোরীর জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটল। কিন্তু রেখে গেল অসংখ্য প্রশ্নÑ এত অল্প সময়ের পরিচয়ে একজনের ডাকে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া, পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগের মধ্যে দূরত্ব তৈরির কারণ, একজন অপরাধী মানুষের নিরাপত্তাকে তুচ্ছ করে এমন নৃশংসতা কিভাবে চালাতে পারল, আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমাদের সমাজে কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা আসলে কতটা প্রস্তুত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যোগাযোগকে সহজ করেছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে অন্য প্রান্তের মানুষের সঙ্গে কথা বলা যায়, বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু এই সহজ যোগাযোগের আড়ালে প্রতারণা, পরিচয় গোপন, আবেগকে কাজে লাগানো এবং অপরিচিত মানুষের ওপর অন্ধবিশ্বাসের ঝুঁকিও রয়েছে।
ফেসবুকে কারো সুন্দর ছবি, মিষ্টি কথা কিংবা ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি তার প্রকৃত চরিত্রের নিশ্চয়তা দেয় না। ভার্চুয়াল জগতে পরিচিত একজন মানুষ বাস্তব জীবনে কতটা বিশ্বস্ত, তা যাচাই করা কঠিন। মাত্র ১৭ দিনের পরিচয়কে কেন্দ্র করে একটি কিশোরীর দূরপথে যাত্রার ঘটনা সকল পরিবারের জন্য সতর্কবার্তা।
তাজমিনের হাতে আইফোন কেন এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা যাই বলি না কেন, প্রযুক্তি নিজে অপরাধী নয়। প্রযুক্তির অপব্যবহার, প্রতারণামূলক আচরণ এবং অপরাধপ্রবণ মানসিকতা বিপদের কারণ হয়।
কোনো কিশোরীর হাতে দামি স্মার্টফোন থাকা উচিত কি নাÑ এ প্রশ্ন সামাজিক আলোচনায় আসতেই পারে। কিন্তু শুধু আইফোন বা অন্য কোনো দামি ফোনকে দায়ী করে সমস্যার সমাধান হবে না। সাধারণ মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অনলাইন গেমÑ যে মাধ্যমই হোক, তদারকি ও সচেতনতার অভাবে তা ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
সন্তানকে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে তাকে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক বোঝানো অভিভাবকের দায়িত্ব। কোন তথ্য ব্যক্তিগত, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কী ধরনের তথ্য ভাগ করা উচিত নয়, অনলাইনে কেউ ব্যক্তিগত ছবি চাইলে কী করতে হবে, কেউ দেখা করার জন্য চাপ দিলে কীভাবে প্রত্যাখ্যান করতে হবেÑ এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে।
একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও বুঝতে হবে, প্রযুক্তি থেকে সন্তানকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখা বাস্তবসম্মত নয়। বরং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার শেখানোই কার্যকর পথ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের শিশু সুরক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশনায় শিশুর নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার মূল শিক্ষা হলো, শিশুর সুরক্ষা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি সম্মিলিত সামাজিক দায়িত্ব।
তাজমিনের মা কেয়া খাতুনের বক্তব্য অনুযায়ী, মেয়ের বন্ধুবান্ধব নিয়ে তিনি আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন। এমনকি আশঙ্কার কারণে প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি। মেয়ের চলাফেরার ওপর নজর রাখতেন, তার বন্ধুত্ব সম্পর্কেও জানতে চাইতেন। তারপরও মেয়েকে রক্ষা করতে পারেননি।
একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যে মা সন্তানের সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে তাকে স্কুলে যাওয়া থেকেও বিরত রেখেছেন, সেই মায়ের বুকেই শেষ পর্যন্ত সন্তানের লাশের শোক নেমে এসেছে। এ শোকের দায় তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায়।
তবে ঘটনাটি আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে। সন্তানকে শুধু চোখে চোখে রাখলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। তাকে স্কুলে যেতে না দেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে বাধা দেওয়া কিংবা প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করা দীর্ঘমেয়াদে তাকে নিরাপদ করে না। বরং, শিশুর নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য জরুরি।
সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে যাচ্ছে, কখন ফিরবেÑ এসব জানতে চাওয়া অভিভাবকের দায়িত্ব। কিন্তু প্রশ্ন করার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান ভুল করলে তাকে গালমন্দ, অপমান কিংবা শারীরিক শাস্তির ভয় দেখালে সে সত্য গোপন করতে শিখতে পারে। বিপরীতে, পরিবারের কাছে সত্য বললে যে সাহায্য পাওয়া যাবে, সেই আস্থা তৈরি করতে হবে।
বাংলায় একটি কথা প্রচলিত আছেÑ ‘গাছের গোড়া শক্ত হলে ডালপালা মজবুত হয়।’ পরিবারের ক্ষেত্রেও কথাটি প্রযোজ্য। পারিবারিক ভালোবাসা, পারস্পরিক বিশ্বাস, নৈতিক শিক্ষা এবং নিরাপদ যোগাযোগের পরিবেশই সন্তানের চরিত্র গঠনের ভিত্তি।
আমাদের সমাজে সন্তানকে ভালো ফলাফল অর্জন, পরীক্ষায় ভালো করা, ভালো চাকরি পাওয়া এবং প্রতিষ্ঠিত হওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সম্পর্কের সীমারেখা, সম্মতি, প্রতারণা শনাক্ত করা এবং বিপদে সাহায্য চাওয়ার শিক্ষা কতটা দেওয়া হয়, এটাও একটা গভীর উপলব্ধি।
অনেক পরিবারে এসব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে সংকোচ কাজ করে। বিশেষ করে কৈশোর, বন্ধুত্ব, প্রেম, যৌন হয়রানি কিংবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে অনেকে অস্বস্তি বোধ করেন। অথচ যে বিষয়ে সন্তানকে বাস্তব শিক্ষা দেওয়া হয় না, সে বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
শিশুদের শেখাতে হবে, কারো সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেই তার সব দাবি মেনে নিতে হবে না। ভালোবাসার নামে কেউ গোপন রাখতে বাধ্য করলে, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে বললে, একা দূরে যেতে চাপ দিলে কিংবা ভয় দেখালে সেটি বিপদের সংকেত হতে পারে।
তাজমিনের মৃত্যুর ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, একজন মানুষ কীভাবে অন্য একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার মতো নৃশংসতায় জড়িয়ে পড়ে।
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন সার্ভে ২০২৪ নারী নির্যাতনের ব্যাপকতা ও বিভিন্ন মাত্রা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছে। এ ধরনের জরিপ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সহিংসতা কোনো বিচ্ছিন্ন পারিবারিক সমস্যা নয়; এর সঙ্গে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, ক্ষমতার অপব্যবহার, নীরবতা এবং বিচারপ্রাপ্তির প্রশ্ন জড়িত।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৫ নম্বর লক্ষ্য নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য ও সহিংসতা নির্মূলের ওপর গুরুত্ব দেয়। ১৬ নম্বর লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ সমাজ, ন্যায়বিচার এবং কার্যকর প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা বলে। তাজমিনের মতো একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্ন এই দুই লক্ষ্যের সঙ্গেই সম্পর্কিত। এখন আমাদের করণীয় কি হতে পারে।
প্রথমত, আর যেন কোনো শিশুর জীবন ঝরে না যায়, পরিবহনব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সচেতন করতে হবে। যাত্রীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় অযথা হস্তক্ষেপ না করে, কোনো ব্যক্তি বিপদে আছে বলে যুক্তিসংগত সন্দেহ হলে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে সাহায্য করা যায়, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়সোপযোগী ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাবিষয়ক শিক্ষা চালু করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে, অনলাইনে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, হয়রানি কিংবা অস্বস্তিকর যোগাযোগের শিকার হলে তারা কার কাছে সাহায্য চাইবে।
তৃতীয়ত, অভিভাবকদের জন্যও সচেতনতামূলক কর্মসূচি প্রয়োজন। সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ রাখা এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি সম্মান দেখানোÑ এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
চতুর্থত, অপরাধের শিকার শিশু ও তাদের পরিবারের পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকতে হবে। সংবাদ পরিবেশনের নামে এমন কোনো তথ্য ছড়ানো উচিত নয়, যা ভুক্তভোগীর মর্যাদা ক্ষুণœ করে কিংবা তার পরিবারের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।
‘আপনা হাত জগন্নাথ’Ñ প্রচলিত এই কথাটির তাৎপর্য হলো, নিজের দায়িত্ব নিজেকেও পালন করতে হয়। কিন্তু শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই কথার অর্থ কখনোই এই নয় যে বিপদ এড়াতে না পারলে শিশুটিই দায়ী। বরং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রÑ প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
পরিবার সন্তানকে নিরাপত্তাবোধ শেখাবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সচেতনতা গড়ে তুলবে, সমাজ অপরাধের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, আর রাষ্ট্র অপরাধ প্রতিরোধ ও বিচারের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। কোনো একটি পক্ষ ব্যর্থ হলে অন্য পক্ষের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
আমাদের মনে রাখতে হবে, কিশোর বয়সে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব; কিন্তু সেই ভুলের প্রতিক্রিয়া হিসেবে একটি শিশুকে তার জীবন দিয়ে মূল্য দিতে হবেÑ এমন সমাজ আমরা মেনে নিতে পারি না। সন্তানকে সুরক্ষিত রাখার অর্থ তাকে চার দেয়ালে বন্দি করা নয়; বরং তাকে এমন আত্মবিশ্বাস ও বিচারবোধ দেওয়া, যাতে সে বিপদ চিনতে পারে এবং বিপদে পড়লে সাহায্য চাইতে পারে।
তাজমিনের মায়ের অসহায় কান্না, পরিবারের শোক এবং একটি সম্ভাবনাময় জীবনের অকাল সমাপ্তি আমাদের বিবেককে নাড়া দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু শুধু আবেগ দিয়ে পরিবর্তন আসে না। পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ, দায়িত্বশীল আচরণ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ।
সন্তানকে শুধু শাসন নয়Ñ প্রয়োজন বন্ধুত্বপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ। শুধু শুধু অপরাধের পর ক্ষোভ নয়Ñ প্রয়োজন অপরাধ প্রতিরোধের বাস্তব ব্যবস্থা।
যে অপরাধী একটি শিশুর নিরাপত্তা ও জীবনের অধিকার কেড়ে নেয়, আইন অনুযায়ী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একটি শিশুর জীবন কোনো পুলিশি তদন্তে নয়; সে একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও ভালোবাসার কেন্দ্র।
আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো মা সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবেন না, কোনো কিশোরী অনলাইনে প্রতারণার শিকার হয়ে সাহায্য চাইতে সংকোচ বোধ করবে না, কোনো পরিবার নিখোঁজ সন্তানের খোঁজে অসহায় হয়ে ঘুরবে না এবং কোনো অপরাধী ভাবতে পারবে না যে অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়া সম্ভব।
তাজমিনের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক। তার মৃত্যু আমাদের বিবেককে জাগিয়ে তুলুক। আর কোনো পরিবারকে যেন এমন নির্মম শোকের মুখোমুখি হতে না হয়।
অপরাধীর শাস্তি চাইÑ আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগে। আর চাই এমন একটি নিরাপদ সমাজ, যেখানে প্রতিটি শিশুর জীবন, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে।
