লা লিগা ইতিহাসে সর্বকালের সেরা শুরুর রেকর্ড ছুঁল বার্সেলোনা। ১০ জনের রিয়াল বেতিসকে ৫-২ গোলে হারিয়ে টানা নবম জয় পেল তারা।
লামিন ইয়ামালের দারুণ নৈপুণ্যে পাওয়া এই জয়ে হান্সি ফ্লিকের দল ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে রিয়ালের গড়া রেকর্ডে ভাগ বসাল। স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ী কিশোর তারকা প্রথম গোল করার পর তৃতীয়টি গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দিয়ে বানিয়ে দেন। রদ্রিও বার্সার জার্সিতে প্রথম গোল পান এবং এরিক গার্সিয়া ও দানি ওলমোও জাল খুঁজে পান।
তৃতীয় স্থানে থেকে ম্যাচ শুরু করা বেতিস একটা সময় ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনে। কিন্তু আব্দে এজ্জালজুলি দ্বিতীয় গোল করার পরের মিনিটে ইয়ামালকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ফাকুন্দো বার্নাল।
প্যারিস সেন্ট জার্মেইর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ ও লা লিগায় রিয়ালের বিপক্ষে এল ক্লাসিকো সামনে রেখে বার্সা দারুণ এক জয় পেল।
১০ মিনিটেরও কম সময়ে ইয়ামাল চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়ে ২০ গজ দূর থেকে লক্ষ্যভেদ করেন। বার্সা বল দখলে আধিপত্য দেখালেও ২৭তম মিনিটে বেতিস সমতা ফেরায়। সফরকারীরা একটি কর্নার বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে পাবলো ফোরনালসের ক্রস থেকে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন ভ্যালেন্তিন গোমেজ।
ইয়ামাল বল বাড়িয়ে দেন করিম আদেয়েমিকে। কিন্তু আলভারো ভালেসের বলিষ্ঠ হাতে তিনি গোল করতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে অপর প্রান্তে হেক্টর বেলেরিনের শট দারুণভাবে বাঁচিয়ে দেন জোয়ান গার্সিয়া।
বিরতির চার মিনিট আগে কর্নার থেকে বার্সা এগিয়ে যায়। ভালেসের দ্বিধার সুযোগ নিয়ে রদ্রি জাল কাঁপান। দুই মিনিট পর বেতিস সমতা ফেরালেও গোলটি বাতিল হয়। জিওভানি লু সেলসো বাঁ পায়ের ভলিতে বক্সের বাইরে থেকে জালে বল জড়ান। কিন্তু গোলটি বিল্ডআপের সময় হ্যান্ডবলের জন্য স্কোর বদলায়নি।
বিরতির পর আরও সুযোগ তৈরি হতে থাকে। ইয়ামালের ক্রস থেকে জেসুসের একটি শট সূক্ষ্ম অফসাইডের কারণে গোলে পরিণত হয়নি। অবশ্য দুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বার্সা তৃতীয় গোলের দেখা পায় ৫১ মিনিটে।
দুই মিনিট পর অফসাইডের ফাঁদ এগিয়ে এজ্জালজুলি ব্যবধান এক গোলে নামান। কিছুক্ষণ পর ইয়ামালকে গুঁতো দিয়ে লাল কার্ড দেখেন বার্নাল।
এই বুকিংয়ের খেসারত দিতে হয়েছে বেতিসকে। বার্সা ফের দুই গোলের লিড নেয়। ৬২তম মিনিটে পাউ কুবার্সির ক্রস ভালেসকে ফাঁকি দিলে বদলি নামা গার্সিয়া লক্ষ্যভেদ করেন।
বদলি নেমে অ্যান্থনি গর্ডন গোলের খুব কাছে ছিলেন। তিনি সুযোগ হারালেও ৮১তম মিনিটে ওলমো পঞ্চম গোলের দেখা পান।
এফএইচএম
