The Sangbad · সাধারণ
জুরাইনে বাবার পাশে চিরনিদ্রায় সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন
১৪/১০/২০২৬

বিএনপি নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দলের বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে তার বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়। দাফন প্রক্রিয়া শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আবেগপ্লুত কণ্ঠে তার ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন উপস্থিত সবার কাছে তার বাবার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করে বলেন, আপনারা সবাই আমার বাবার আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপসহ বিএনপির শীর্ষ সারির নেতারা অংশ নেন।প্রথম জানাজা শেষে মরদেহে দলীয় ও সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে আসা হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে, যেখানে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। এই জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা মহানগর, বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, আব্দুস সালাম আজাদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সমাজকল্যাণবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মওলা শাহীনসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।নয়াপল্টনের কার্যক্রম শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার নিজ এলাকা রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে। সেখানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয় তার তৃতীয় ও শেষ জানাজা।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার এই অকাল মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।মঙ্গলবার রাতে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ শ্যামপুরের বাসভবনে নেওয়া হলে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে ছোটেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ডিএসসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনসহ অন্যান্য গুণগ্রাহী।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗