পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে মাছগুলো জমা নেওয়া হয়। শনিবার সকালে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলা খাদ্যগুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিনভর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ। এ জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে মাছগুলো নিজের বাড়ি পাবনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেটজাত করেন তিনি।
বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুঠোফোনে তাঁকে মাছগুলো জমা দিতে বলেন। প্রথমে মাছ জমা দিতে রাজি না হলেও পরে থানা-পুলিশের সহায়তায় মাছগুলো উদ্ধার করে জমা রাখা হয়।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ওই খাদ্য কর্মকর্তা প্রায়ই এভাবে পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন এবং কাউকে না জানিয়ে নিয়ে যান।
অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, তিনি কয়েকটি মাছ শিকার করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফোন করার পর মাছগুলো তাঁর কাছে জমা দিয়েছেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, তাঁকে না জানিয়ে খাদ্য কর্মকর্তা কয়েকটি মাছ শিকার করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর তাঁকে ফোন করে মাছ জমা দিতে বলা হয়। পরে মাছগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও আরও জানান, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মাছগুলো প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
এমএস/
