নরসিংদীর মাধবদীতে একটি প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং দুজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি পাঁচজন হলেন মো. জামাল (৩৬), মো. টিপু (৪৫), মো. ফয়সাল (২৫), বাবুল (৩৫) ও মোহাম্মদ শাহজাহান (৩০)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক হারুনুর রশিদ জানান, নরসিংদীর মাধবদী থেকে তাদের এখানে পাঁচজনকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে জামালের শরীরের ৬০ শতাংশ, টিপুর ৯০ শতাংশ, ফয়সালের ২৫ শতাংশ, বাবুলের ৮ শতাংশ এবং শাহজাহানের ৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় টিপু ও জামালকে বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনায় দগ্ধ ছয়জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, দুজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ সিকদার জানান, নরসিংদী থেকে তাদের এখানে ছয়জনকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিবলু মিয়ার শরীরের ১৩ শতাংশ, পিয়াসের ৩ শতাংশ, সুমনের ৪ শতাংশ, সরাফের ২০ শতাংশ, ছাদেকুরের ১৫ শতাংশ এবং রাকিবের ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও জানান, সরাফ ও ছাদেকুরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিবলু মিয়া ও রাকিবকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পিয়াস ও সুমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
কেএজেডআইএ/এমআইএইচএস
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
