দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি: রাষ্ট্রপতি
- প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১৩
- ২২ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্যোগপরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারিবারিক সচেতনতা ও পূর্বপ্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, যেকোনো দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে বাসাবাড়ি ও পরিবারের ওপর। ফলে দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি ঘরকেই দুর্যোগ মোকাবিলার মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রস্তুত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) 'আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬' উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
জলবায়ু ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এমনিতেই ঝড়, বন্যা ও নদীভাঙনপ্রবণ। বর্তমানে এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিশ্বউষ্ণায়ন। বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকা নগণ্য হলেও জলবায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ, যারা চরম মূল্যের শিকার হতে পারে।
নেপালের ঘটনার দৃষ্টান্ত: সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া মারাত্মক হিমবাহধসে বিপুল প্রাণহানি ও জীবন-জীবিকা তছনছ হয়ে যাওয়ার উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে জাতীয় জীবনের স্থবিরতা এনে দেয়, নেপালের ঘটনা তারই বাস্তব প্রমাণ।
স্বেচ্ছাসেবক সুরক্ষা আইন ও নগর নিরাপত্তার গুরুত্ব
আইনি কাঠামোর তাগিদ: দুর্যোগকালীন সম্মুখসারির যোদ্ধা স্বেচ্ছাসেবকদের সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষায় এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। জরুরি ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার নিশ্চিতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন তিনি।
ভূমিকম্প ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ: অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই মূলত ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই আবাসন ও ভবন নির্মাণের সময় কঠোরভাবে নির্ধারিত বিল্ডিং কোড ও জাতীয় মানদণ্ড মেনে চলার ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ধরে রেখে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এ জাতীয় আরো খবর..
ক্যালেন্ডার...
❮
❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat

