ছবির ক্যাপশন: .
বিশেষ সংবাদদাতা :
ঢাকার কেরানীগঞ্জে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বাস্তবায়িত ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের গ্রাহকরা আগামী এক বছরের মধ্যে বাড়িঘর নির্মাণের সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। দীর্ঘ বিলম্বের পর জেগে উঠছে কেরানীগঞ্জের আবাসন প্রকল্প; স্কুল-হাসপাতাল-থানার কাজ তদারকি বছরের পর বছর প্লট পড়ে ছিল ফাঁকা। মালিকরা তাকিয়ে ছিলেন মাটির দিকে—কবে বালুর ওপর ইট উঠবে? এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চায় সরকার।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সরাসরি বললেন, “আগামী এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে যারা প্লট পেয়েছেন, সবাই যাতে নিজের জমিতে নিজের বাড়ি তুলতে পারেন—সেই রাস্তা করে দিচ্ছি আমরা।”
আজ বুধবার (১০ জুন) দুপুরে মন্ত্রী নিজেই এলেন কেরানীগঞ্জের ঝিলমিলে। নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল আর থানা ভবনের ইট-সিমেন্টের কাজ খুঁটিয়ে দেখলেন। পাশে ছিলেন রাজউকের চেয়ারম্যান, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আর স্থানীয় প্রশাসন।
তিনি স্বীকার করলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে এখানে বাড়ি নির্মাণ আটকে ছিল।” তবে আশ্বাস দিলেন, “সেই বিলম্ব থেকে বের হতে সরকার এখন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। অবকাঠামো শেষ করেই প্লট মালিকদের হাতে চাবি তুলে দেওয়া হবে—মানে, বাড়ি তোলার উপযোগী পরিবেশ।”
মন্ত্রী বলেন,—ঝিলমিল আর ফাঁকা মাঠ থাকবে না। দ্রুত সময়ে একে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক নগরী বানানো হবে। আধুনিক, পরিকল্পিত, বাসযোগ্য।
সেজন্য রাস্তায় বসছে আলো, বসছে চোখ—সড়কবাতি আর সিসি ক্যামেরা। তবে মন্ত্রী একটা কথা জুড়ে দিলেন: “সরকার রাস্তা করে দেবে, নিরাপত্তা দেবে। এবার প্লট মালিকদের পালা—উন্নয়ন শেষ হলেই যেন সবাই বাড়ি তোলার কাজে নামেন। দায়িত্বশীল ভূমিকা চাই সবার।”
ঝিলমিলের মালিকদের জন্য বার্তাটা তাই দ্বিমুখী—সরকারের প্রতিশ্রুতি এক বছরের, আর মালিকদের দায়িত্বও এক বছরের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. উমর ফারুক, চিফ টাউন প্লানার মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
