Published on
:
1 min read
এই সময়, মালবাজার: শেষ মুহূর্তে বোনাস মিলতে শুরু করল অনেক জায়গায়। পুরসভা থেকে চা বাগান, বিভিন্ন জায়গায় হাতেগরম বোনাস মেলায় প্রথম সপ্তমীর বিকেলেই হাটবাজারে ভিড় জমতে দেখা দেয়। মেটেলি ব্লকের সামসিং চা বাগানে এদিন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা এবং নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরারা নিজেরা দাঁড়িয়ে থেকে শ্রমিকদের বোনাস বিলি করিয়েছেন।
পরে সেখানে উপস্থিত হন পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বিশাল লামা। মালবাজার থানার নিউ গ্লাংকো চা বাগানেও বোনাস দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আর্থিক অনটনে ভুগতে থাকা মালবাজার পুরসভায় এক মাসের বেতন ও বোনাস দেওয়া হয়েছে অস্থায়ী কর্মীদের। পুরসভার প্রশাসক মালবাজারের মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খান্ডাল বলেন, ‘কিছুটা হলেও আমরা স্বস্তি দিতে পেরেছি। তৎপরতার সঙ্গে বাকি কাজ চলছে।’
সাধারণত, প্রতিবছর ষষ্ঠীতেই মোটামুটি সব জায়াগায় বোনাস দেওয়া হয়ে যায়। তাই ষষ্ঠীতেই শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা চলে। এবার সপ্তমী পড়েছে দু’দিন। বোনাস নিয়ে মাল পুরসভা ও কয়েকটি বাগানে বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা যায়। ফলে এলাকার ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়ে। এরই মধ্যে দুপুরে বোনাসের খবর চলে আসতেই বাজার চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকে মালবাজার, চালসা, বানারহাট প্রভৃতি বাজারে। মালবাজারের ব্যবসায়ী উজ্জ্বল আইচ বলেন, ‘শেষবেলায় বোনাস পাওয়ায় অনেকেই এসেছেন। তাতে ভালোই কেনাবেচা হচ্ছে।’
তবে বাগরাকোট, কিলকোট , নাগেশ্বরী চা বাগানে এদিনও বোনাস মেলেনি। এই বাগানগুলির মালিকের ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, কিলকোট চা বাগানের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিয়েছে মেটেলি থানার পুলিশ। মালবাজার মহকুমার এসডিপিও সুদীপ্ত সরকার বলেন, ‘বোনাস না পয়ে অনেক বঞ্চিত শ্রমিকরাই অভিযোগ করেছেন।’
