বিশ্বজুড়ে প্রজনন সমস্যায় ভোগা দম্পতিদের প্রায় অর্ধেকের ক্ষেত্রে পুরুষের শরীরেও কোনো না কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়। পুরুষের বন্ধ্যত্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। সাধারণত সন্তান ধারণে ব্যর্থ হওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই এটি ধরা পড়ে। তবে কিছু ক্ষেত্রে শরীর আগেভাগেই ইঙ্গিত দেয়। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হওয়া জরুরি:
১. যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
২. উত্থানের সমস্যা
৩. বীর্যপাতের সমস্যা
৪. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলা ভাব
৫. শরীরে হরমোনজনিত পরিবর্তন
৬. মুখ বা শরীরের লোম কমে যাওয়া
কীভাবে নির্ণয় করা হয়
সঠিক চিকিৎসার জন্য আগে কারণ জানা দরকার। চিকিৎসকেরা সাধারণত চারটি পরীক্ষা করান:
বীর্য পরীক্ষা: এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি, আকার ও গুণগত মান যাচাই করা হয়।
রক্ত পরীক্ষা: বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা দেখে হরমোনজনিত সমস্যা শনাক্ত করা হয়।
আলট্রাসনোগ্রাফি: ভেরিকোসিল বা অন্য কোনো শারীরিক ত্রুটি আছে কি না, তা দেখা হয়।
জিনগত পরীক্ষা: জিনগত কারণ সন্দেহ হলে বিশেষ ক্ষেত্রে এটি করা হয়।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
১. এক বছর নিয়মিত অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের পরও সন্তান না হলে
২. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলা ভাব থাকলে
৩. যৌনক্ষমতায় সমস্যা দেখা দিলে
৪. আগে অণ্ডকোষে আঘাত লাগলে বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে
৫. ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে থাকলে